Sunday, March 5, 2023

968>|| ফানুস ||

 968>|| ফানুস ||

                 <--অস্যনাথ--->

সুন্দর হালকা শিতের সকাল

কুয়াশা নয় প্রদুশনের সকাল।

শুনতে পাই  ফুলেদের ক্রোন্দন

বৃক্ষ লতাগুলির নীরব আবেদন।


প্রদুশনের এমন জোয়ার

নদীর তুফান এলো আবার।

তিনে মিলে সাত কাহন

ভাগ্যবান এদের বাহন।

কত ভাবনা জাগে মনে

স্বপ্ন গুলীও আতঙ্কে জাগে।

প্রস্ফুটিত ফুলের গন্ধে সেদিনও

মাতিয়ে দিত দিগন্ত,

আতশবাজির এমন মেলায়

আমি অনাহুত ক্লান্ত।

রাত্রি জাগরণে কিংবা

গভীর ঘুমে,

স্বপ্ন গুলী দেয় হানা ভয়ঙ্কর।


সুন্দরতা চোখের নেশা, 

মনের ভালবাসা,

মনে লুকায়ে অনেক আশা।

শীতের সকালের মেঘ

আকাশে মাখনেরমত মসৃণ আবেশ,

সুন্দর চেতন চিন্তন অশেষ।


কেন যেন মন আকুলায়

বাড়ে বাড়ে দেখেছি ভয়ঙ্কর

তাই বুঝি জাগে চেতনা,

দিবা স্বপ্নের করুন রুক্ষ ভাবনা।


বিধির বিধান বড়োই ক্রুর,

ভাবনা গুলি করে চূর্ণ বিচূর্ণ,

মন উরেবেড়ায়  উদাসী হওয়ায়,

চেতনা প্রদীপের পেবল হওয়ায়।


নম চায় একটু শুভ চিন্তনের সঙ্গ,

যেন সন্ধ্যায় উড়ন্ত পতঙ্গ।

চঞ্চলতা ছুঁতে চায় আকাশ তরঙ্গ

ভাবনা গুলি যেন সন্ধ্যার পতঙ্গ।


অনেক নাপাওয়ার হতাশায় অন্ধ

পেয়েছি কালো নিশুতি রাতের গন্ধ।

সকল হারিয়ে যাবার বেদনায় স্তব্ধ

অশ্রু ভরা চোখ বোধ হয় অন্ধ।


মনেহয় চিতে চেতন যেন কবন্ধ,

আমার বিধি যেন চির অন্ধ।

বোধ হয় আর জাগবেনা চেতনা

ঈশ্বরেরও শুনবেনা বেদনা।


বুঝি মেতেছি আমরা ধ্বংশের খেলায়,

বিকলাঙ্গ আমাদের চেতনা।

গণধর্ষণ যেন আজ আমাদের প্রতিভা

প্রদূষণ, গণধর্ষণ,বীরত্বের ভাবনা।

দিনেও পথ চলতে হয় আতঙ্কে,

ওদেরবীরত্ব যেন আইন ভঙ্গে।

আমরা সভ্য জগতের মানুষ

মিটিং মিছিলে

দৈনিক ভাষণে উড়াই ফানুস।

আমরা শ্রেষ্ঠ মানুষ,

নিজেরটুকু বুঝে নিতেই হুশ।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


                   

          


Saturday, March 4, 2023

967>|| মনে যদি থাকে সংসয় ||

 967>|| মনে যদি থাকে সংসয় ||

               <---আদ্যনাথ--->

মনে যদি থাকে সংসয়

জীবনে দুঃখ নিশ্চয়।

মনের সংশয় যদি না হয় দূর

সফলতা রবে বহু দূর।

বিশ্বাসে মিলায় বস্তু

তর্কে বহু দূর।

বিদ্যা, শিক্ষা, জ্ঞান, গরিমা,

ভক্তি বিশ্বাস ও নম্রতার অধিকার।


দূতত্ব নিশ্চিত হয় পথের

কভু হয় না বন্ধুত্বের।

মানুষের মন ও মস্তিষ্ক বড়োই জটিল,

অন্ত হীন ভাবনা ও সৃষ্টির অপূর্ব মিল।


বিশ্বাস বিহনে না হয় বন্ধু

না রয় আত্মীয়,

না পায়  জীবনের পাথেয়।

<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

=================

Friday, March 3, 2023

966>|| ওরা নয় মূক, থাকে চুপ ||

 966>|| ওরা নয় মূক, থাকে চুপ ||

                     <---আদ্যনাথ---->

  ওই যে দেখো ওদের--

ওরা সদাই থাকে চুপ, কিন্তু নয় মূক,

সমাজ দেখে, লজ্জা হীন উলঙ্গ বুক।

বন্যায় ভাসে, বৃষ্টিতে ভেজে,

শীতের তীব্রতা সয় সহজে।

শহরে এলে পেটের দায়ে ভিক্ষা করে,

রোজ ধর্ষিত হয়, তবুও ভিক্ষা করে।

ওরা নয় মূক, তবুও থাকে চুপ,


দুঃখী মা শহরে, শিশু কন্যা কোলে,

একটু দুধের আশে ঘোরে দ্বারে দ্বারে,

ব্যর্থ মনরথে ফিরতে হয় তারে।

দিনান্তে কোন মতে জোটে

ভিক্ষা করা সবটুকু দিয়ে,

প্যাকেটে গোলা দুধ।

মা বুঝছে শহরে বাঁচা কঠিন,

তাই ফিরে যায় গ্রামে ক্লান্তহীন।

প্রত্যন্ত গ্রামে ঘোরে দুয়ারে দুয়ারে,

এখানে মানুষের এখনো প্রাণ আছে,

তাইবুঝি দুবেলা পেটের ক্ষুধা মেটে,

শিশুর দুধের জন্য লাগেনা মূল্য দিতে।

আছে দারিদ্রতা, ফেরায় না অভুক্ত জনে

যেটুকু আছে ওরা ভাগ করে দিতে জানে।

ওরা নয় মূক, তবুও থাকে চুপ।


আজ তোমরা কেন চুপ

সময়ে তো দেখাও খুব,

তবে এবার এখন কেন চুপ।

ভয় কি, ওঠো, জাগো, এগিয়ে চলো,

ঐযে চারিদিকে হাঁ হাঁ কার কতো,

কত দুঃখী জনের জোটেনা পেটের অন্য

ওরা চায় অন্য,বস্ত্র,স্বাস্থ্য,শিক্ষা, ও কর্ম।

ওরা যায় মিটিং মিছিলে,

ঘর সংসার সব ভুলে,

একবেলা খাবারের লোভে।

দিনে-দিনে বাড়ন্ত শিক্ষিত বেকার,

কে দেবে ওদের কাজের জোগাড়।

কর্মহীন বেকার যুবক বিভ্রান্ত অতি,

আড্ডা আর মিছিল ছাড়া নাই গতি।

আর ঐযে রবিঠাকুর বলে গেছেন

" রাজার হস্ত করে সমস্ত

কাঙালের ধন চুরি"।

ওরা নয় মূক, তবুও থাকে চুপ।


ধর্ম নিয়ে চলেছে কত টানা টানি

এখন সিসিএ, এন আর সি, নিয়ে হানা হানি।

বেকার দের চাকুরী কোথায়,

গরীবের পেটে খাবার কোথায়।

কৃষক পায়না ফসলের মূল্য

ফোরেরা লুটছে ফসলের মুনাফা।

মানুষের চলেছে বাঁচার লড়াই,

বেঁচে থাকার জন্য লড়াই,

দুমুঠো ভাতের জন্য লড়াই,

জীবনের জন্য লড়াই,

বেঁচে থাকার লড়াই,

চলছে চলবে এ লড়াই।

জন্ম থেকে হয়েছে শুরু,

হয়তো মৃত্যুতে হবে শেষ।

এ লড়াই বেঁচে থাকার লড়াই।

সুখ স্বপ্ন দেখার লড়াই,

স্বপ্ন গুলিও বুঝি লড়াই।

একটু ঘুমের জন্যও জোটেনা মাটি,

ফুটপাথে মাঠে পুলিশের লাঠি।

স্টেশনে বাসস্টান্ডে আইনের বাঁধা

ঝড়ে বর্ষায় রাত ভর জলে ভেজা।

এভাবেই বেড়ে চলে অসহায়ের স্তুপ,

ওরা নয় মূক, তবুও থাকে চুপ।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


965>|| অভাগার ভাগার ||

 965>|| অভাগার ভাগার ||

             <---আদ্যনাথ--->

কেযেন বললো ভালো আছো

ভালো মানে,-- কি কি ভালো,

সব বলছি,

মন, সেটা এখন বদ্ধ ঘরে,

আকাশ খুঁজে হাঁপিয়ে মরে।

কি জানি এই গরমে

কে কতোটা হাঁপাচ্ছে।

শরীর, সেটা তো পথেই ঘোরে,

খুঁজে পাবার মতন কিছু পাবে ভেবে।

হাত পা সেগুলো ভালোই আছে,

শুধু একটা দাঁত তুলতে হয়েছে, 

তাই খাওয়াটা একটু কষ্টের হচ্ছে।

আর বাকি হৃদয়।

তার খোঁজ আর রাখিনা,

চিন্তা গুলোই সব খেয়ে নিচ্ছে।

তা নিচ্ছে নিক ওটা দিয়ে আর কি হবে ভেবে।

এমনি করেই বাকি জীবন যাবে ড্রেনের জলে বয়ে।

কারন গঙ্গার জল,

সেওতো ড্রেনের জলের সমান।

তাই অভাগার ভাগারই শ্রেয়।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

====================

Thursday, March 2, 2023

964>|| স্বাধীন কে কবে ||

 964>||  স্বাধীন কে কবে ||

             <----আদ্যনাথ----->


স্বাধীন স্বাধীন বলে চেঁচালেই হবে?

স্বাধীন ছিলাম কবে?

শিশু কাল বাবা মায়ের শাসনের বেড়ি,

স্কুলে শিক্ষকের কঠিন ছড়ি।

ক্লাবে গেলে দাদাদের দাদাগিরি,

চাকুরী জীবনে উপরআলার কড়াকড়ি।

বৃদ্ধ বয়সে এখন সকলের নজরদারি।

ভাবি বসে, আজ সেই 26 সে জানুয়ারি।


স্বাধীন হয়ে উড়বো আকাশে,

পারিনি ডানার অভাবে।

পাখিরা স্বাধীন উড়ে চলে যেথা চায় মন,

বনের পশুরা স্বাধীন, বনে থাকে যখন।

মন চায় উড়েজেতে নীল আকাশে,

সমুদ্র পারহতে পাহাড় ডিঙিয়ে।

মন চায় ছুটে বেড়াতে যখন যেখানে

সাতরঙা রামধনু ওঠে যেখানে।


মনের ইচ্ছা মনেই রয়েজায় গোপন,

শিশু কালে কত স্বপ্ন ছিল তখন।

স্বাধীন হয়ে ছুটব স্বপ্নের দেশ যেখানে,

সাত সমুদ্দুরের পারে তেপান্তরে।

স্বপ্ন পুরীর রাজকুমারী আছে যেখানে,

খুঁজে আনব মুক্ত গভীর সমুদ্র তলে।

শঙ্খ চিলের বাসায় যাব উড়ে,

দেখবো রামধনু হয় কোন রঙ দিয়ে।


পক্ষীরাজে চড়ে ছুটব যখন,

মা যদি ডাকেন পেছনে তখন।

বলবো মাকে  বীরের মতন,

একটু সবুর করো মাগো,

ছুটব আমি বীরের মতন।

চাঁদের বুড়ির খবর নিয়ে,

এক্ষুনি আমি আসবো ফিরে।

ভয় কেন করছো মাগো,

তোমার ছেলে ঘোড়ায় চড়ে,

একলাই বিশ্ববিজয় করতে পারে।


সেইদিন আর আসল কোথায়,

স্বপ্ন গুলি বন্ধি রইলো চিলে কোঠায়।

শিশু কাল হতে স্বপ্নের বোঝা বয়ে,

স্বাধীনতার পতাকা গুলি রেখেছি যতনে।

আজ একলা বসে স্বপ্নের মালা জপি,

কিচেয়েছি কিপেয়েছি বৃথাই হিসাব করি।

দিন যায় রাত যায় স্বপ্ন গুলি ঘুম ভাঙায়,

সকালের সূর্য্য রোদ দেয় আঙিনায়।


শিশু কাল গেল,যৌবন গেল,

এখন বৃদ্ধ বয়সে আর কিআছে কপালে।

স্বাধীনতা গুলি আসবে আর যাবে,

বৎসরে একদিন মনে মনে হবে,

স্বাধীনতা, আজ স্বাধীনতার পতাকা উঠবে।

গান্ধী জী, নেতা জী কে মনে পরবে,

যারা যুদ্ধে মরেছে তাদের আর কে ভাববে।

সকলে একবার  "জনগন" গানটি গাইবে।

★<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->★

    26/ 01/2020 সকাল 08:00: 18.

°===========================


        

963>|| সেবা, ভক্তি ||

 963>||  সেবা, ভক্তি ||

        <----©--আদ্য নাথ--->

মানুষের ধর্ম সেবা,

ভক্তি, তার মনের আবেগ,

প্রেম মনের এক অনুভূতি,

বিশ্বাস, ভক্তি ও প্রেমের ভিত্তি ও শক্তি,

বিশ্বাস ছাড়া জীবন অর্থহীন,

ভক্তি হীন, জীবনে থাকেনা যথার্থ গতি।

সেবা ও ভক্তির নামে অন্ধবিশ্বাস,

সংসারে দুঃখ যাতনার বন্ধন পাশ।

সরল শুদ্ধ মনে প্রকৃতিকে ভালোবাসলে

বাড়ে জীবনের গতি, জাগে নুতন আশ।


সোনার গোবিন্দকে সিংহাসনে শুইয়ে,

মসৃন কম্বলে মুড়ে ভক্তিতে স্বস্তি মেলে।

এমন ভাব,ভক্তিভাবের উত্তম চিন্তা মনে।

কিন্তু কত অসহায় দরিদ্র পথে  শুয়ে,

শীতকে অনুভব করে ভয়ঙ্কর ভাবে,

তাদের এরিয়ে যাই দেখেও না দেখে।

সিংহাসনের গোবিন্দই পথে পথে ঘোরেণ,

এমন চিন্তা আসেনা কেন মনে।

শিব রূপে জীব সেবা জানি সকলে,

এমন চিন্তা থাকে শুধু মনে গোপনে।


অসহায় দরিদ্র ক্ষুধার্থ কে ভুলে,

মহা ভোগ লাগাই মৃন্ময়ী ঈশ্বরে।

নিজের 'মা'এর প্রয়োজন সামান্য সেবা,

ব্যস্ত জীবনে 'মা' কে আদর করে কেবা।

মুখে সদাই বুলি কতনা সেবা ভক্তি,

আছে কেবল মনগড়া কিছু যুক্তি।

রাত দিন হাতে জপমালার থলি,

সামান্য ত্রুটি হলেই কু কথা বলি।

নারী রূপে মায়ের পূঁজা ঢাক ঢোল বাজিয়ে,

পথে ঘাটে 'মা' 'বোনদের' দেখি অশ্লিল নজরে।


এ-কেমন সেবা,কেমন ভক্তি,

তর্ক নয়, বলদেখি এ- কেমন যুক্তি।

মনের ভক্তিকি কেবলি  লালসার চুক্তি,

সেবা হয়তো সুপ্ত অহংকার মাত্র ভক্তি।

ঢাক ঢোল বাজিয়ে পূজার আয়োজন,

খিচুড়ি ভোগ,অবারিতদ্বার বস্ত্র বিতরণ।

সেখানে যদি থাকে অহংকারের প্রদর্শন,

সেবার নামে সে হয় না কি কেবল প্রহসন?

প্রয়োজন তো একটু সচেতনতার,

সাথে দরকার মনভাব প্রকৃত সেবার।

★<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->★

    28/ 01/2020 সকাল 09:15: 18.

==========================


               

Wednesday, March 1, 2023

962>|| 1971 এর মার্চমাস ||

 962>|| 1971 এর মার্চমাস ||

           <---আদ্যনাথ-->

দেখেছি যুদ্ধ ওই নদীর ওপারে,

ছিলাম সশস্ত্র লুকিয়ে ঘরে ঘরে।

দেখেছি অসহায় মানুষের হাহাকার,

শুনেছি শিশুদের চিৎকার,

মা হারিয়ে শিশুকে,

শিশু পায়নি খুজে মাকে।

ওরা মেরেছে অসহায় মানুষ গুলিকে,

ঘরে ঢুকে মানুষের সাথে মিশে।

মানুষের হাতেও ছিল বন্ধুক 

খাওয়া ভুলে পাহারা ছিল রাত দিন।

যখন চালালো বন্ধুক, দিশেহারা,

গুলি করতে গিয়ে পড়লো ধরা।

দরিদ্র সাধারণ মানুষ বুঝতে পারেনি,

দেশ রক্ষার নামে ওদের বেইমানি।


1971 এর মার্চ মাস

বাতাসে বারুদের গন্ধের আশ্বাস।

পালাতে পারেনি ওরা,

অত্যাচারের জবাব দিল মুক্তি যোদ্ধারা।

শিশুগুলি একলা, বাবা,মা হারিয়ে,

ঘরে বসে কাঁদে।

শিশুরা ফৌজ দেখলেই আতকে ওঠে,

ক্রমশ মুক্তিযোদ্ধা বাড়তে  থাকে।

একে একে সেক্টর গুলির ফৌজ

বাধ্য হয়েছিল আত্মসর্পনে।

১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর পশ্চিম পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

অবশেষে ১৬ ডিসেম্বর

স্বাধীম হল বাংলাদেশে।


শেখ মুজিব ও ইয়াহিয়া খানের

আলোচনা হল ব্যর্থ

1971 সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত,

পাকিস্তানি সৈন্যরা মেতেউঠল

বাঙালি হত্যাযজ্ঞে।

বাংলাদেশ মনেরাখবে সেই 

সেই মর্মান্তিক হত্যাকান্ড।


পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙালি সৈন্য এবং আধা সামরিক বাহিনীর বাঙালি সৈন্য তাৎক্ষণিকভাবে জনগণের 

মুক্তি আন্দোলনের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে।

ফলে পশ্চিম পাকিস্তানের ফৌজ

বাধ্য হয়েছিল আত্মসর্পনে।

শিউরে উঠতে হয় ভাবনায় ভেবে,

সেদিনের সেই দিনগুলির স্বাক্ষী থেকে।

 <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=======================

       

        

961>|| চিন্তা শক্তি ||( 1--2)

 961/1>|| চিন্তা শক্তি ||   1/2

961/2।। আমরা হারিয়ে গেছি ।।   2/2


========================

961/1>|| চিন্তা শক্তি ||   1/2

                <--আদ্যনাথ--->

চিন্তা শক্তি অসীমে ধায়,

শব্দ তরঙ্গের দ্রুত ধায় ,

একাগ্র মনে স্থির চেতনায়,

সূক্ষ্ম চিন্তার কম্পন বলয়।

সদা সকলের শুভ কামনা করতে হয়।

যার জন্য শুভ চিন্তা করবো,

চিন্তায় যদি গভীরতা থাকে,

তার নিশ্চিত শুভ হবে।

সাথে নিজেরও শুভ হবে।

আবার কারুর অশুভ বা অকল্যাণ

চিন্তায়,

নিজেরও অশুভ বা অকল্যাণ হয়।

এমনি বিধির বিধান কার্য কর হয়।

     <--©-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=====================

961/2।। আমরা হারিয়ে গেছি ।।   2/2

                <---আদ্যনাথ--->

আমরা কেমন যেন হারিয়ে গেছি ,

সকলেই আজ ব্যস্ত হয়েগেছি।

ব্যস্ত আমরা নিজের মতন 

নিজেকে গুছিয়ে নিতে।

ভুলে গেছি সমাজকেও  আমাদের

কিছু  হবে-যে দিতে।

শুধু গুড মর্নিং,গুড নাইট বলেই

সম্পর্ক মেটাতে চাই।

এই গুড মর্নিংগুড নাইট, 

একি সম্পর্ক জিইয়ে রাখতে,

নাকি দূরে থাকতে?

নাকি লোক দেখানো পাশ কাটিয়ে যেতে?

এর  কারণটি কি যে আসল,

শুধু সেই টুকু বুঝতে,

আমি হতভাগা, ভেবেই পাগল।

★<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->★

======================


 

960> || রক্ষণশীল ||

 960>  ||  রক্ষণশীল ||

                 <---আদ্যনাথ--->

প্রকৃতির লীলা ছলে,

জ্বরা, ব্যাধি, যখন বার্ধক্য কে ঘিরে ধরে,

বার্ধক্য তখন যৌবনকে কাছে পেতে চায়।

হঠাৎ যদি যৌবন বার্ধক্য কে দয়া করে,

বার্ধক্য হয়তো বিচার বোধ হারিয়ে ফেলে।

সমাজে নিন্দার ভয়,

হয়তো বিবেক কিছু কয়।

নয়তো পাশ্চাত্য শিক্ষায়,

পশুদের ন্যায়,

পশুরা বার্ধক্য কে এড়িয়ে চলে।

মুস্কিল তো বার্ধক্যকে বোঝা ভাবলে,

সমাজের বোঝা বিবেচিত হলে,

যৌবনের গলগ্রহ হলে।

বয়ঃবৃদ্ধ কেউ কিছু পায়,

কেউ কিছুই পায় না।

যে পায়না সে তো বেঘরে মরে,

যে পায় সে আরো চায়,

নাপেলেই গোল পাকায়।

এই চাওয়া পাওয়া,এক গোলক ধাঁধা,

তুষ্ট কেউ নয়।

যে রক্ষণশীল, সেতো বুদ্ধিমান

সে বজায় রাখে তার সম্মান।


আজ  মায়েরা  শিশুদের,

শিশুকালে শিখিয়ে দেয়,

গুড টাচ ও ব্যাড টাচ।

যৌবন বড়ই সতর্ক,

নিজেকে সামলাতেই সদা ব্যস্ত।

পাশ্চাত্যের আগ্রাসনে,

মোরগও চায় ময়ুরের মতন পেখম তুলতে।

সেকি ময়ুরের দোষ নাকি মোরগের।

সুন্দরকে কে না চায়,

মুস্কিল যখন ক্ষমতা ভুলে যায়।

   <---অস্যনাথ রায় চৌধুরী-->