Tuesday, December 27, 2022

951>|| মিত্রতা ||

       951>|| মিত্রতা ||

         <---আদ্যনাথ--->   

মিত্রতা এক আনন্দ জীবন বন্ধনে,

মিত্রতা এক আনন্দ সুখে ও দুঃখে।

মিত্রতা এক আনন্দ সদা জৌলুস পূর্ণ,

মিত্রতা এক আনন্দ গভীর অর্থ পূর্ণ।


মিত্রতা আনন্দকে করে দুইগুন,

আর মনের দুঃখ কে করে অর্ধেক।

জীবন তো দুঃখ ও আনন্দের আধার,

মিত্রতাই জীবনকে করেতোলে সুন্দর।


সুখের জন্যই  চেয়েছিলাম প্রেম,

সুখ গেল দূরে মিলিলনা প্রেম।

জানি সুখ-দুঃখের নয়তো বৈপরীত্য,

বোধহয় সময়ে এক কার্যনির্বাহী দ্বৈত।


মিত্রতার মাঝেই আছে সুখের সন্ধান,

চতুর্থ প্রহরেও পাইনাই মিত্রের সন্ধান।

কত মিত্র এলো আর চলেগেল,

সুখের সময়ে সকলেই ছিল।


এখন শুধু দিন যাপন আর বাক্য ব্যয়,

দিন ভর কর্ম হীন অফুরন্ত সময়।

বয়সের সাথে মিত্রতার বন্ধন কমে,

মিত্রতায় ভাটা বুঝি দূরত্বের কারণে।

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


Tuesday, December 20, 2022

950>|| খেজুর রস ||

     950>|| খেজুর রস ||

           <--আদ্যনাথ-->

শীতে খেজুরের রসের রসনা,

মনে প্রানে তৃপ্তির বাসনা।

শীতের সকালে মন প্রাণ ব্যাকুল করা,

প্রকৃতির দান বৃক্ষের করুণা ধারা।


খেজুরের রসে আছে খনিজ ও পুষ্টিগুণ,

খেজুরের রসে আছে আরও বহু গুন।

শীতের সকালে এই রসেই মশগুল,

তাজা রসের আকর্ষণও স্বাদ ভরপুর।


খেজুর রসের সুগন্ধি খেজুরি গুড়, 

অনিদ্রা ও কোষ্ঠকাঠিন্য করে দূর।

এই গুড়ে আয়রনের বার বাড়ন্ত,

হিমোগ্লোবিন তৈরির কারন একান্ত।


শীতে হাঁড় কাপানো ঠাণ্ডায়,

খেজুর সরের জুড়ি মেলা ভার।

শীতের সকালে কাঁচা খেজুরের রস, 

তৃপ্তির রসনায় অমৃত সমান তার জস।


শীতে মনের মতন পিঠে-পুলি,পায়েস, 

গুড়ের গুনেই খেয়ে মেজাজ আয়েশ। 

দুর্বলতা কাটিয়ে বাড়েতে কর্মস্পৃহা 

খেজুর  রস ও গুড়ের বাড়ন্ত চাহিদা।

    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================







949> || বন্ধুত্ব ||

 


     949> || বন্ধুত্ব ||

     <---আদ্যনাথ--->

মনের টানে বন্ধুত্ব হাসে

দুটি মন একে অপরকে টানে।

বন্ধু হাসে প্রাণ মন খুলে হাসে,

বন্ধু হাসে মিলনের সুখে হাসে।


বন্ধু মানেই দুটি মন প্রাণ এক হওয়া,

কিছু আনন্দ খুঁজে পাওয়া,

একটু প্রাণ খুলে কথা বলা,

নিরালায় বসে কিছু মনের কথা বলা।


চাওয়া পাওয়ার হিসাব না রাখা।

কোন সমালোচনায় না থাকা।

শুধু নিজেদের মনের কথা বলা।

যেকোন পরিস্থিতিতে স্থির থাকা।


নিজেকে কারুর সাথে তুলনা না করা,

বন্ধু একে অপরের চিন্তায় মগ্ন থাকা।

দুটি মন মনের মাঝে হারিয়ে যাওয়া,

একসাথে কাজে এগিয়ে যাওয়া।


বন্ধুর থাকেনা লিঙ্গ ভেদ বিচার,

বন্ধুত্ব এক স্বর্গীয় আনন্দের আধার।

বন্ধুত্বে থাকেনা কাম,ক্রোধ,অহঙ্কার,

বন্ধুত্ব এক নীরব প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকার।


বন্ধুত্ব মানে শুধু নয় একটা শব্দ

বন্ধুত্ব মানে শুধু নয় একটা সম্পর্ক।

সাদাকাগজ মূল্যহীন, গুরুত্ববাড়ে লেখায়,

বন্ধুত্বও প্রাণহীন, প্রাধান্য আন্তরিকতায়।

<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================




948> || প্রচার ||

 


       948> || প্রচার ||

                 <---আদ্যনাথ-->

নেতা, শিক্ষক, পন্ডিত নাইবা হলাম,

নিজের পরিচয় নাইবা দিলাম।

খেলা নিয়ে নাচা নাচি নাই বা করলাম,

খেলায় কে জিতল সে নিয়ে হুল্লোড় নাই বা করলাম।


আমি না-হয় আমার মতনই থাকলাম,

নিজের মতন করে সব কিছু ভাবলাম।

আসলে যে যেমন তেমন থাকাটাই ভাল,

নিজে নিজের প্রচার নাকরাই শ্রেয়।


সাদাকাগজ মূল্যহীন, গুরুত্ববাড়ে লেখায়,

বন্ধুত্বও প্রাণহীন, প্রাধান্য আন্তরিকতায়।

বন্ধুত্বের মাঝে অহঙ্কার কি শোভা পায়!

বন্ধুর মন বোঝা যায় দু'চার কথায়।


কেউ বলে নিজের ঢোল নিজেই পেটাই

তাতে লজ্জা কিসের ভাই,

অলস সময়ে গেজিয়ে কাটাই

তাতে লজ্জা কিসের ভাই।


যুগটাইযে প্রচারের যুগ,

বক- বক করাতেই তো বেশি সুখ।

কম কথায় সত্য বলা চলে,

মিথ্যে কথায় ফুল ঝুড়ি ঝড়ে।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================




Monday, December 19, 2022

947>|| আজকের ভাবনা ||

        947>|| আজকের ভাবনা ||

                       <---আদ্যনাথ--->

যোগাযোগ সর্বদা থাকে বা নাই থাকে,

কিছু মানুষ সর্বদা মনের কাছেই থাকে।

কিন্তু কোন অহঙ্কার বশে

সেই কাছের মানুষ অবুঝ হলে

মনে বড়ই দুঃখ লাগে।


সময় পেলেই কিছু লিখতাম,

একটু বেশিই বোধহয় বোলতাম,

যে যা বলতো মনদিয়ে শুনতাম,

যেখানে,যে কারুর সাথে চলে যেতাম।

এখন বুঝেছি এটা স্কুল, কলেজ জীবন নয়,

এখন অবসর জীবনযাপন, 

অনেক ভেবে চলতে হয়।

অনেক কিছুই ভেবে করতে হয়,

কে জানে কার কোথায় কিসে স্বার্থে ঘা লেগে যায়!

সেই কারণে আজকাল চুপ থাকতেই চাই,

কিছু বলার থেকে যে যা বলে শুনে যাই।

ইচ্ছা হলেও কিছুনাবলে  দূরে থাকতে চাই।

একটু দূরত্ব রেখে চলাই শ্রেয় মনে হয়।


লেখা কিছু লিখতেই হবে,

মনের কথা বলতেই হবে।

প্রাণখুলে হাসতেও হবে,

সব দুঃখকে ভুলতে হবে।

এই বয়সে মনের মানুষ পাব কোথায়?

চুপ করে থাকাটাই শ্রেয় বোধ হয়।

যা আছে তাকে নিয়েই চলতে হবে,

তাইতো চুপ থাকতে শিখতে হবে।

কেউ কেউ অনেক পাল্টে গেছে,

অহঙ্কারে সর্বদা টগ বগ করছে,

কেমনে পা মেলাবো ভাবতে হচ্ছে।

     <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================

Wednesday, November 30, 2022

946> || প্রকৃতি ও মন ||=1/6

              

      

946>/1> || প্রকৃতি ও মন ||=1/6

       946/2>|| প্রকৃতি ||==2/6

         946/3>|| ইচ্ছা পূরণ ||==3/6

          946/4>|| প্রকৃতির সৌন্দর্য ||==4/6

          946/5>|| প্রকৃতিই ভিত্তি-মূল ||==5/6

          946/6>||  প্রকৃতির মাতৃ রূপ  ||==6/6

============================

  946>/1> || প্রকৃতি ও মন ||=1/6

                     <-----আদ্যনাথ--->

পৃথিবীর সকল সম্পদ প্রকৃতির দান,

বিশ্ব-প্রকৃতির সৌন্দর্য মহা মূল্যবান।

প্রকৃতি নিজেকে সুন্দর রঙে রাঙিয়ে রাখে।

জীবজন্তু কীটপতঙ্গ সকলকে কাছে টানে


প্রকৃতির গান শুধু সেই শুনতে পায়

যে একান্ত প্রকৃতির প্রেমে পাগল প্রায়।

প্রকৃতির সম্পদ নষ্টকরা উচিত নয়,

অতিরিক্ত চাহিদা রাখাও উচিত নয়।


প্রকৃতি নিজে নিজের নিয়মে চলে

প্রকৃতি নিজের নিয়ম ভাঙতেও জানে।

প্রকৃতির কাছে মানুষ নিতান্ত অসহায়,

প্রকৃতি যেকোন মুহূর্তে পরিবর্তন ঘটায়।


ভোরের আকাশে ছবি আঁকার ছন্দ

দিনান্তে সন্ধ্যায় নানান ফুলের গন্ধ।

প্রকৃতি প্রেমিকের ভাবনার কৃষ্টি 

অপরূপ দৃষ্টি নন্দন প্রকৃতির সৃষ্টি।


মন চায় ঘাসে ঘাসে শিশির বিন্দু হতে,

মন চায় গাছে গাছে ফুল হয়ে ফুটতে,

মন চায়  ফুলে ফুলে মৌমাছি হয়ে উড়তে

মন চায় গাছে গাছে মৌচাক হয়ে ঝুলতে।


মন চায় পাখির মতন ডানা মেলে উড়তে

মন চায় বৃষ্টি হয়ে অঝরে ঝড়ে পড়তে

মন চায় পূর্ণিমার চাঁদ হয়ে আকাশে উঠতে

মন চায় শুকতারাহয়ে পুবআকাশে উঠতে


মন চায় নদীর উজানে বয়ে চলতে

মন চায় দূরের সাগরে গিয়ে মিলতে।

মন চায় ঝড়ের আকাশে বিদ্যুৎ চমকাতে,

মন চায় সাগরের উত্তাল ঢেউয়ে ভাসতে।

   <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================

         946/2>|| প্রকৃতি ||==2/6

                   <--আদ্যনাথ-->

জগৎপ্রকৃতি বিধাতার অমূল্য দান,

জীব মাত্রেই প্রকৃতির ভালবাসর দান।

প্রকৃতি নিজেই বিশাল পুস্তকে গাঁথা

সেই পুস্তকের প্রকাশক স্বয়ং বিধাতা।


অন্ধকার আছে তাই আলোকে ভালবাসি

রাত্রি আছে তাই দিনকে ভালবাসি।

প্রকৃতিকে প্রাণ খুলে ভালবাসলে

প্রকৃতি দিয়েই যায় চায়না কিছুই বদলে।


প্রকৃতি মানুষকে সর্বদা অনেক শেখায়

কিন্তু মানুষ প্রকৃতিকেই ধোকা দেয়।

প্রকৃতি সুন্দর নানা রূপে প্রকাশিত,

আকাশের নীল মহাসাগরে দৃশ্যত।


ঝড়, তুফান,টর্নেডো,নানা রূপে প্রকৃতি,

এভাবেই প্রকৃতির শক্তিকে চিনতে পারি।

বর্ষার প্রবল বর্ষণে খেত খামার পূর্ন জল

নদী নালা পুকুর কলকল অবিরল।


যে জন  ভালোবাসে প্রকৃতি কে

প্রকৃতিও  ভালোবাসে তাকে।

প্রকৃতির দ্বারা সৃষ্টি প্রাণী সকল,

জীবনী শক্তির মূলেও প্রকৃতির বল।


সূর্যের কিরণ স্পর্শে জীবনের প্রকাশ

প্রভাতের স্নিগ্ধ কিরনে দিনের প্রকাশ।

বিহঙ্গের কলতানে আনন্দের প্রকাশ,

প্রকৃতির কোলে নূতনের আত্ম-প্রকাশ।

       <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

========================



          946/3>|| ইচ্ছা পূরণ ||==3/6

                           <--আদ্যনাথ-->

লোভ আর ইচ্ছা পূরণের ভাবনার জালে

ইচ্ছে পাখি উরেবেড়াতে চায় ডানা মেলে।

কিন্তু শুকনো পাঁপড়ির মতই ঝরে পড়ে,

দিনে দিনে বয়স বেড়ে চলে ইচ্ছার সাথে 


ঈশ্বর/প্রকৃতি সর্বদা সচেষ্ট থাকে

আমাদের ইচ্ছা/চাহিদা পূরণের তরে।

চাওয়া ঠিক ভাবে চাইতে জানতে হবে,

তবেই চাওয়া পাওয়ার মনবাসনা পূর্ন হবে।


জীবন আছে তাইতো সুন্দর প্রকৃতি

শিশির বিন্দু, সূর্য রশ্মি,সকলি প্রকৃতি।

প্রকৃতির কোলেই জীবন সুন্দর সাকার

প্রকৃতি থেকে দূরে জীবন অন্ধকার।


প্রকৃতির ক্ষমা গুণ ঈশ্বরের প্রতিরূপ

জীবন মাত্রেই সৃষ্টির এক সুন্দর রূপ।

শীত গ্রীষ্ম বর্ষা সকলি প্রকৃতির দান,

প্রভাতেই শুরুহয় পাখিদের কলতান।


সকল সুন্দরের মাঝে প্রকৃতির খেলা

ঝড়,বৃষ্টি,রোদ, ছায়াও প্রকৃতির খেলা।

প্রকৃতিকে ঘিড়েই চলে জীবনের খেলা

জীবন আর প্রকৃতি ঈশ্বরের খেলা।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->


========================



      946/4>|| প্রকৃতির সৌন্দর্য ||==4/6

                       <--আদ্যনাথ-->

প্রকৃতির সৌন্দর্যে জীবন আকৃষ্ট,

প্রকৃতির দানেই জীবন সুন্দর উৎকৃষ্ট।

প্রকৃতিকে ভালবাসলে সর্বত্র সৌন্দর্য মেলে

তৃপ্তি প্রকৃতির সুন্দর সম্পদ মনের অন্তরে।


প্রকৃতি সর্বদা রঙিন আনন্দ কাননে,

জীবন মৃত্যু সকলকেই তুলে নেয় কোলে।

আনন্দ স্বরূপ সুন্দর প্রকৃতিকে চিনতে, 

নিজের মনের জানালা হবে খুলতে।


শহর বা গ্রাম,প্রকৃতি সুন্দর যেথা 

জীবন সর্বদা সুন্দর হবে সেথা।

ভালবেসে প্রকৃতিকে করলে যত্ন 

প্রকৃতিও ফিরিয়ে দেয় শ্রেষ্ঠ রত্ন।


প্রকৃতি সৌন্দর্যে বাঙ্ময় বসন্ত ঋতুতে

জীবন চায় মিসেজেতে প্রকৃতির সাথে।

প্রকৃতিতে লুকিয়ে আছে অজস্র সম্পদ,

সেই সম্পদের অপব্যবহারে অতিশয় বিপদ।


পরিবেশ প্রকৃতিকে বোঝাই বুদ্ধিমত্তা

প্রকৃতি তো স্রষ্টার এক মহান শিল্প সত্বা।

প্রকৃতি নিজেই আবার ধ্বংসের কর্তা,

প্রকৃতির  প্রত্যেকটি প্রাণ এক একটি

আত্মসত্বা।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=========================

     946/5>|| প্রকৃতিই ভিত্তি-মূল ||==5/6

                         <--আদ্যনাথ-->

মানুষের কামনা সুস্বাস্থ্য,সুন্দর জীবন

সুন্দর পরিবেশে আনন্দপুর্ন সকল জীবন।

ঈশ্বরের করুণায় সুন্দরপ্রকৃতির সৃষ্টি,

সুন্দর পরিবেশে গড়েওঠে জীবনের কৃষ্টি।


প্রকৃতিতে শুধু বেঁচে থাকাই কি জীবন!

সুখ,স্বাধীনতা,আনন্দ উপভোগ করাও প্রয়োজন।

বই ও প্রকৃতি মনুষ্য জীবনে শ্রেষ্ঠ বন্ধু

এদের ব্যতিরেকে জীবন অবরুদ্ধ।


প্রকৃতি এক অপূর্ব আকর্ষণীয় চুম্বক 

যে প্রকৃতিকে যত ভালবাসে প্রকৃতিও তাকে ততটাই কাছে টানে।

প্রকৃতি থেকে দূরে থাকা মানে 

নিজেকেই নিজে ভুলে যাওয়া।


প্রকৃতিই জীবনের আসল ভিত্তি-মূল,

প্রকৃতি ছাড়া মনুষ্য জীবন অর্থহীন।

আমরা আমাদের প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখবো,

তবেইতো আমরা সুন্দর ভাবে বাঁচবো।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

========================


    946/6>||  প্রকৃতির মাতৃ রূপ  ||==6/6

                       <--আদ্যনাথ-->


প্রকৃতিই শ্রেষ্ঠ শিক্ষক মানুষের তরে,

প্রকৃতি আর জীবন টিকেথাকে একে অপরের কারণে।

প্রকৃতি সর্বদা নানান রূপে শিক্ষা দেয়,

প্রকৃতি কে ভুলে বাঁচবার নাই কোন উপায়


বাতাস দ্রুততা আর আকাশ নিরমলতার শিক্ষাদেয়,

নদী চঞ্চলতা আর সমুদ্র বিশালতার শিক্ষা দেয়।

পর্বতের গাম্ভীর্য আর মাটির ধৈর্য 

পিপিলিকার কর্ম ব্যস্ততা আর মৌমাছির কর্মকুশলতা।


প্রকৃতির  প্ৰকীর্তি মাতৃ রূপেই ব্যক্ত

সূর্য, আলো আর শক্তির প্রধান উৎস।

আলো চোখ দিয়ে দেখে বুঝতে হয়

প্রকৃতিকে হৃদয় দিয়ে অনুভব করতে হয়।


প্রকৃতি আমাদের সুন্দর ও সুস্থ থাকতে সহায়তা করে,

প্রকৃতির যত কাছে থাকা যায় ততই  সুন্দর থাকা যায়।

তাইতো মাঝে মাঝে বেড়িয়ে পড়তে হয়

প্রকৃতির মাঝে পাহাড় জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে হয়।


প্রকৃতি সুন্দর মাতৃ রূপে সমাদৃত

বহুরূপে প্রকৃতির খেলা সদাই আদৃত।

কখন ভয়ংকর কখন ভীষণ শান্ত

বিশ্বপ্রকৃতি অফুরন্ত অনাদি অনন্ত।

<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=======================



Tuesday, November 8, 2022

945> || দুঃস্বপ্ন ||

       945> || দুঃস্বপ্ন ||

            <----আদ্যনাথ--->

কতো মানুষ হাড়িয়েজায় কারণে অকারণে,

প্রকৃত বন্ধু কি আর হারায় তুচ্ছ কারণে।

অকারনেই বন্ধু বুঝি হারিয়ে যায়

এভাবে আপনজনও হারিয়ে যায়।


ইনস্টাগ্রাম লাইক না করার কারনে,

ফেসবুক,হোয়াটস অ্যাপের কারনে।

শুভ সকাল,শুভ বিকেল,শুভ রাত্রি,

এ-হেন ইনস্টাগ্রামেই ত্রাহি ত্রাহি।


কিকরে বোঝাই কাকেইবা বোঝাই

স্মার্ট মোবাইলে অতি-বুঝদার সবাই।

যোগাযোগের সুন্দর সহজ মাধ্যম,

জ্ঞান বিকাশের সহজ সুন্দর মাধ্যম।


আজ ডিজিটাল যুগে অতি প্রয়োজন,

শিশু ও বৃদ্ধ জনের সর্বনাশের কারণ।

তথাপি স্মার্ট মোবাইল অতি প্রয়োজন,

সময়ের তালে তালে চলতে হবে যখন।


একের কারণে অন্যে অসন্তুষ্ট হয় যখন,

ইনস্টাগ্রামেরই দোষ খুঁজি তখন।

কারণে অকারণে জানিনা কোন-বারণে

নিয়মে অনিয়মে সেদিনের প্রশ্ন বানে।


নিয়ম অনিয়মের অজুহাতের কারণে

ভ্রমনের আনন্দে পড়েছিল ভাটা সামান্য কারণে।

শেষের দিনে খোঁজনী আমায়  পাশেই ছিলাম,

কারণে অকারণে জানিনা কোন-বারণে।


তোমাতেইতো ভরসা করেছিলাম

মনের গভীরে ভাবনার  দহণের কারণে।

সেদিন আমিতো তোমার পাশেই ছিলাম,

পোড়া ছাইয়ের মাঝে স্বপ্ন খুজছিলাম।


কত ভাবনার বাঁধন ছিল মনের মাঝে

ছিলাম আমি পথে একা দাঁড়িয়ে।

ফেরার পথে কত ভাবনার জাল ছড়িয়ে

সেযেন সবই কোথায় গেছে হারিয়ে।


মনের আকাশে জমেছে কালো মেঘ

কে জানত নেমে আসবে এমন কালো মেঘ।

সকল কিছু যেন শুধুই দুঃস্বপ্ন আজ 

ভাবনায় ছিল অজস্র প্রাণের উচ্ছ্বাস।


আজ ক্লান্ত দু'চোখ, ক্লান্ত মন,

স্বপ্ন দেখতেও ভুলে গেছে মন।

ভুল করে অনেক স্বপ্ন গেঁথে ছিল মন

আজ শুধু দুঃস্বপ্নেই ভরে আছে মন।

       <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

===========================



944>|| অপাঙ্‌ক্তেয় ||

           944>|| অপাঙ্‌ক্তেয় ||

                   <---আদ্যনাথ--->

কেমনে ভুলি সেদিনের দংশন বেদনা

তাইতো আজ ভয়েই ফোন ধরিনা।

হৃদয় বিদারক সেদিনের সেই তর্ক

অহেতুক fb,wapp লাইক না-করার শর্ত।


শারীরিক কারণে মোবাইল রাখি দূরে,

রোজ রোজ দেখা হয়না তেমন করে।

তাই বুঝি কিছু  রয়েজায় ত্রুটি

আর সইতে হয় কিছু মানুষের ভ্রুকুটি।


মনে ছিল সুন্দর ভাবনা

পেয়েছিলাম মনের ঠিকানা।

হয়তো অনেক ভাবনায় জড়িয়ে

চেয়ে ছিলাম আপন করে নিতে।


যারে চাই আপন করতে 

সেই ভুলে যায় কথার ফাঁকে।

একমাত্র বন্ধুত্বই ছিল সজাগ

আজ সকলই নিয়েছে বাঁক।


আর কি হবে ফোন ধরে

সকল কথাই গেছে ফুরিয়ে।

বন্ধুত্বের বিশ্বাস টাই যে বড় ঠাঁই

তাইতো আজ পরে আছে ছাই।


আজ আমি অর্ধমৃত অবাঞ্ছিত, 

হয়তো কারুর কাছে ঘৃণিত।

আমি জানি নিজেকে অজ্ঞ অপত্য

হয়তো অতি-শিক্ষিত মহলে অর্বাচীন অপাঙ্‌ক্তেয় ।


এবার থেকে রইবো দূরে দূরে

বিশেষ শিক্ষিত মানুষেরে ছেড়ে।

কেঁদেছি অনেক বন্ধুর আঘাতে,

রুগ্ণ শরীরে আর চাইনা সামলাতে।

      <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================



Sunday, October 30, 2022

943>|| নিঃসহায় ||

 


  943>|| নিঃসহায় ||

            <--আদ্যনাথ-->

 বর্ষীয়ান ব্রাত্যপ্রায় যখন

 একাকীত্বের যন্ত্রনা যেমন

 নিদারুণ স্তব্ধ বন্ধি জীবন

 হাসায় কাঁদায় যখন তখন।


 চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই

 ভালোবাসাও অবশিষ্ট নেই

 হারিয়ে যাবার উপায়ও নেই

 কিছু পাওয়ার আকাঙ্খাও নেই।

 

 শুধু আছে বয়ে চলা জীবন

 আছে অতীতের স্মৃতি মন্থন

 সাথে আছে স্বপ্নদেখার জীবন

 সব আছে তবু নিঃসহায় জীবন।


   এইতো জীবনের খেলা

  তবুও চলছে অনন্তবেলা

 জীবন সায়াহ্নে বসে একলা

  স্বপ্ন বিহ্বল ভাবনার খেলা


জীবন হাসায় জীবন কাঁদায়

নেশাও কখনো হাসায় কাঁদায়

প্রেম কখনো হাসায় কখন কাঁদায়

হাসি কান্নাই চলে জীবন ময়।


  ফেলে আসা দিন গুলির স্বপ্ন

  কিছুতেই মেলেনা হিসাবের ফর্দ

  যতই ভাবি কেবলি স্পর্ধার হর্ষ

  অলীক ভাবনায় কায়াকল্প দর্প।

  <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী----->

========================


Wednesday, October 26, 2022

942> || আমাদের বিজয়া সম্মিলনী || 2022

 


     942> || আমাদের বিজয়া সম্মিলনী ||

   (22 সে অক্টোবর 2022)


আমরা শ্যামবিহার ফেজ2 এর 

 বরিষ্ঠ নাগরিক কজন,

ধনতেরসের সন্ধ্যায় শুভক্ষণে

মেতেছিলাম আড্ডায় কমিনিউটি হলে।


গানে কবিতাপাঠে সন্ধ্যা ছিল জম জমাট 

অতি সুন্দর স্বরচিত কবিতা পাঠ।

কিছু স্মৃতি আর অনুরাগের ক্ষণ,

কিছু ফেলে আসা দিনের ক্ষণ।


চোখের জলে মনের আবেগে 

আপন জনকে হারানোর কারণে,

ফেলে আসা সময়ের ব্যাবধানে

মনের চাপা বেদনার কারণে।


সন্ধাটির কথা মনে থাকবে বহু দিন

সুন্দর এই সন্ধ্যার মিলনের দিন।

কেউ কেউ পারেননি যোগ দিতে, 

হয়তো বিশেষ কাজের তাগিদে।


করনার দাপটের পরে এই বিজয়া সম্মিলন,

একটু আবেগে  মনের মিলন।

ভেবে ছিলাম সকলেই মিলিত হবে,

কিন্তু একটু ফাঁক রয়ে গেল অনুষ্ঠানে।

  <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরীর-->

=======+================


22সে অক্টোবর 2022

শনিবার ধনতেরসের শুভ ক্ষণে

আমরা মেতেছিলাম আড্ডায়।

প্রিয় মানুষের সাথে আড্ডার মজাই আলাদা। সেই কারণেই আমদের শ্যামবিহার ফেজ 2 এর সিনিয়র সিটিজেনদের আড্ডা বা বিজয়া সম্মিলনী|  অর্থাৎ একটু আলাদা ভাবে একঘেয়েমির জীবনে একটু প্রাণ খুলে কথাবলার আড্ডা, একটু প্রাণ খুলে হাসির আড্ডা।


আমাদের বিজয়া সম্মিলনীর আড্ডার মেনু ছিল - চা, কেক, মিষ্টি, জল।

নিরামিষ হলে - পনির রোল, চীজ স্যানডুইচ। 

আমিষ হলে - চিকেন স্যানডুইচ, চিকেন প্যাটিস।

আসলে এই গতানুগতিক জীবনের রোজ নামচায় একসময়ে বিরক্তের মেঘ জমে যায় মনের কোণে, আর সেটি বোধ হয় অনুভব করি আমরা সকলে।

আমাদের এহেন  একঘেয়ে জীবন-যাপনে মধ্যে একটু আনন্দ খুঁজে নিতেই আমাদের  মিলনের চেষ্টার নামই আড্ডা।

জীবনের বিরক্ত হতাশা এগুলি উপেক্ষা করার জন্যই আমরা রোজ সন্ধ্যায় মাতি একটু আড্ডায়।


বয়স তো কিছু সংখ্যা মাত্র 

আর আড্ডা হল কিছু সময় প্রাণবন্ত অনুভূতি সৃষ্টি কররার চেষ্টাই আড্ডা। 

মনের বেদনা, আনন্দ, একটু ভাগ করে নেওয়াই আড্ডা।

আড্ডাতো আমরাদের ( বিশেষ করে বাঙালির) মননের একান্ত  বা অনিবার্য-চাহিদা। 

একটু ভাল করে বলতে গেলে বলা যায় আকুতি তৃষ্ণাও। মনের মানুষদের সঙ্গে আড্ডা দেয়ার আনন্দে আমাদের নাইকোনো ক্লান্তি । 


যারা যারা আজ আমাদের আড্ডাতে আসেন নি বা কোনো কারণে আসতে পারেননি তাদেরকে বলতে চাই তাদেরকে আমরা মিস করেছি, প্রিয় মানুষদের সঙ্গে আড্ডায়  মনে একটু আলাদা ধরনের আনন্দের সৃষ্টি হয়, আর সেই আনান্দ ও প্রাণবন্ততা শরীর সুস্থ রাখে এবং মনের গভীরে একটু প্রশান্তি সৃষ্টি করে।

জীবনের  একঘেয়েমিতা কাটিয়ে  একটু নির্মল ও নির্ভেজাল আনন্দ খুঁজতেই আড্ডার আয়োজন । কিছু সময়ের জন্য নিজেদের আনন্দে-উচ্ছ্বাসে ভাসানো যায়

এই আড্ডায়।

সর্বশেষ একটা কথাই বলবো আসুন আমরা সবাই শ্যামবিহার ফেজ 2 এর সকল সিনিয়র সিটিজেন আবার একসাথে আড্ডায় বসি।

আসুন আমরা সকলে এক সাথে বসে একটু হাসি একটু প্রাণ খুলে কথা বলি।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================



Tuesday, September 13, 2022

941>|| মানুষ শ্রেষ্ঠ ||

      941>|| মানুষ শ্রেষ্ঠ ||

                 <---আদ্যনাথ--->

কুমারের সৃষ্টি মাটির মূর্তির সামনে মানুষ মাথা নত করে, তাকে পূজা করে।

মাটির মুর্তিরকে মানুষ তার শ্রেষ্ঠ আসনে বাসায়।

কিন্তু ঈশ্বরের সৃষ্টি মানুষ নিজেদের মধ্যে ধ্বংসের লীলা খেলে, একে অপরকে হিংসা করে,নিজেরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে চলে।


ঈশ্বর সৃষ্টি করেন তাঁর শ্রেষ্ঠ কে।

কুমোরও সৃষ্টি করেন তার শ্রেষ্ঠ কে।

শুদু শ্রেষ্ঠের শ্রেষ্ঠ হয় অধম,

আর অধমের শ্রেষ্ঠ হয় শ্রেষ্ঠ।

পদ্ম, গেলাম এবং সকল ফুল সুন্দর , তারা শুকিয়ে গেলে পাকে পরিণত হয়,

আবার সেই পাকেই সুন্দরের সৃষ্টির অঙ্কুর অঙ্কুরিত হয়।

এভাবেই সকল চক্র আবর্তনে সৃষ্টি ও ধ্বংস করে চলে। আর এভাবেই ধ্বংসের মধ্যেই সৃষ্টির বীজ অঙ্কুরিত হয়।

তাইতো বলাহয় মানুষ শ্রেষ্ঠ,

মানুষের সৃষ্টি ও শ্রেষ্ঠ।

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

Monday, September 12, 2022

940>|| বিশ্বাস ||

      940>||  বিশ্বাস ||

                  <--আদ্যনাথ-->

বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।

জ্ঞান ও সত্যের নাই কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা,

বিশ্বাসেরও নাই সর্বজনসম্মত সংজ্ঞা।

বিশ্বাস মানে আস্থা অথবা ভরসা,

বিশ্বাস, নিশ্চয়তার উপর আস্থা।


সন্দেহ মুক্তহলেই বিশ্বাসে বাড়ে ভরসা,

মনে প্রানে একান্ত  ভরসা করাই বিশ্বাস।

বিশ্বাস অর্জন করা বড়ই কঠিন,

কিন্তু বিশ্বাস হারান অতি সহজ।


বিশ্বাস অতি ভঙ্গুর

সহজেই হারিয়ে বা ভেঙে যায়।

হারিয়ে যাওয়া বিশ্বাস 

ফিরে পাওয়া যায়না আর।

বিশ্বাস জীবনকে অনেক শেখায়

অবিশ্বাস জীবনকে করে তোলে দুর্বিষহ।

বিশ্বাস সত্যের আর এক রূপ,

বিশ্বাস সত্যতেই শুরু সত্যতেই শেষ।


   বিশ্বাসে বাড়ে ভক্তি

ধর্মের বিশ্বাসে বাড়ে মনের শান্তি।

ধর্মের গোড়ামীতে বাড়ে নানা অশান্তি।

অতিবিশ্বাসের ফল অন্ধবিশ্বাস।


মানুষ কে বিশ্বাস করা একান্ত উচিত,

বিশ্বাস যোগ্য মানুষ নির্বাচন বড়ই কঠিন।

বিশ্বাস করা যেমন কঠিন,

অবিশ্বাস করা ততোধিক কঠিন।

<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


939>|| দিনের শেষে ||

 


    939>|| দিনের শেষে ||

                 <--আদ্যনাথ-->

জীবনের এতটা পথ পারহয়ে এসে, 

দিনের শেষে ক্লান্ত মনে একলা বসে।

ভবনা গুলি অতীতে দিচ্ছে পারি,

শত চেষ্টাতেও অতীত ভুলতে নাপারি।


চেয়েছিলাম খুশি রাখতে সকলকে,

কখনো পারিনি কাউকে কিছু বলতে।

কেউ খুশি হোল, কেউ নারাজ রইলো,

কেউ আবার হিংসার পথ বেছে নিলো।


আজ মনে হল একটু হিসাব করি,

কিছুতেই মেলেনা হিসাবের কড়ি।

আগে পিছে,সকলেই এগিয়ে গেছে,

হিংসুখেরা দেখি আজও পিছনে আছে।


যারা খুশি তারা নিজের কেউ নয়,

নিজের বলতে যারা, এখনো অখুশি রয়।

নিজের জনেরা অপরের ত্রুটি মন্দ খোঁজে,

নিজের সময়ের হিসাব কি আর রাখে!


বিনিময়ের কখনো করিনি একটুও আশা,

মনের গোপনে ছিল ভালোবাসা।

প্রতিদানে পেয়েছি অনেক ক্রুর সাজা,

সাজা গ্রহনেও ছিল আনন্দ মজা।


প্রকৃতির কোলে প্রকৃতিরে ভালোবেসে,

জীবনের অর্থ খুঁজি জীবনকে ভালোবেসে।

সুন্দর তো অসীম অফুরন্ত,সদা আনন্দময়

সুন্দরের পূজারীর হৃদয়েসদাই আনন্দরয়।


ভাগ্যর দোহাই না দিয়ে কর্মেই ছিল মন,

ছিল দিন রাত কর্ম ব্যস্ত জীবন।

তবুও আপনজনেরা কেন জানিনা,

নিকটে থেকেও কাছে রয় না।


ওরা ভুলেগেছে, সবপেয়েছির জীবনে,

জীবন ক্ষনিকের, কিছুই যায়না হারিয়ে।

আনন্দের উৎস হৃদয়ে লুকিয়ে রয়,

সদা হাস্য মুখে তাকে খুঁজে নিতে হয়।

    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

============================

937>|| একলা মন ||+938

 937>|| একলা মন 

938>|| বুঝেছি যত্নে ||

===========================

   937>|| একলা মন ||

              <--আদ্যনাথ--->

সকল কাজের মাঝে,

হয়তো দিনের শেষে,

হয়তো  কাজের শেষে,

কিছু ভাবনা ভাবায় সবশেষে।

বহু পথ চলেছি নানান দেশে,

নানান বেশে, 

নিত্য নুতন পরিবেশে,

শেষ যাত্রার ট্রেনটিও ধরতে হবে।


তাই তো শেষের দিনের শেষের তরীটির খোঁজের ভাবনা।

আছে নানান ভাবনা 

নয়তো কোন অলীক কল্পনা।


ভাবনা গুলি ভাবায়,

দূরের স্বপ্ন দেখায়,

ভাদ্রের বৃষ্টি ভেজা সকালে ভাবায়,

মোহ ময় আকাশটা অনেক ভাবায়।

মাঝে মাঝেই ভাবায় অনেক,

দুরন্ত সেই দিনের কিছু ক্ষনের,

মন না চাইলেও প্রাণের টান যে থাকে,

কি করে কেমনে ভুলবো তারে!!


আমি এক ভবঘুরে,

ঠিকানা খুঁজি ঘুরে ঘুরে,

হয়তো ছিল একদিন আদোর করে

হরিয়েছি হয়তো অবহেলা করে।

মনে মাটির টান যে আছে,

একলা মন অনেক ছবি আঁকে।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================

    938>|| বুঝেছি যত্নে ||

                  <---আদ্যনাথ--->

বুঝেছি অনেক যত্ন করে

আরও কিছুকাল বাঁচতে হবে।

জানিনা কোন আদরে,অনাদরে,

শেষের দিন আসবে কেমন করে।

আজ তাই ভাবছি সারা দিন,

সবকিছু থাকতেও আমি নিতান্ত দীন।

জানি মন ভাবনার অধীন,

তবুও ভাবায় স্বপ্নে সেইদিন।


জীবমাত্রেই সময়ের হাতে পরাধীন,

সময়ের শেকল ভাঙ্গা অসম্ভব কঠিন।

সময়ের গতি পথ বড়ই মসৃণ।

সময় অবশ্যই সম্পুর্ন স্বাধীন।

অনেক ভেবেও বুঝিনাই কিছু

নানান সংস্কারের আছে পিছু টান কিছু।

সংসারের কিছুই দেখিনাই, 

সময়কে অবহেলা করে কিছুই বুঝিনাই।


মুহূর্ত দেখে হয়না কারুর জন্ম,

মুহূর্ত না দেখেই আসবে মৃত্যু।

তবুও সকল কাজেই খুঁজেছি শুভ মুহূর্ত,

নিত্য নুতন হরেক কর্মের হরেক মুহূর্ত।

সময়ের দুরন্ত প্রলয় আবর্তে,

বৎসর মাস দিনগুলি তর্ক বিতর্কে।

একলা নিরালায় ভাবনা দিনশেষে, 

ফেলে আসা দিনগুলির স্বপ্ন আবেশে।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================


Saturday, September 10, 2022

936>|| আমার জন্মদিবস ||

     936>|| আমার জন্মদিবস ||

                        <---আদ্যনাথ--->

আজ,10 সেপ্টেম্বর::--

আজ, বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস।

তাই বুঝি আজ, আমার জন্মদিবস।


আত্মহত্যা, মনের এক করুন প্রবণতা,

এহেন প্রবণতা প্রতিরোধের জন্য চাই একান্ত ভালোবাসা।

আত্মহত্যা প্রতিরোধের একমাত্র পথ

একান্ত ভালোবাসা।


আমরা ভালোবাসি তাই পাই সুগন্ধ,

ভালোবাসি খাবার আর তার সুগন্ধ,

ভালোবাসি মাকে,পাই মায়ের স্নেহের গন্ধ,

ভালোবাসি পুজো তাই পাই পূজার গন্ধ।


ভালোবাসি প্রকৃতির আদর মাখা গন্ধকে।

ভালোবাসি শরতের মেঘ মুক্ত আকাশকে।

ভালোবাসি ছয় ঋতুর প্রকৃতির ছন্দকে,

ভালোবাসি মাতৃ ভূমির মাটির গন্ধ কে।


ভালোবাসি সকল ধর্মের মানুষ কে,

ভালোবাসি সকল অসহায় জনকে।

ভালোবাসি ওই সকল পথ শিশুকে,

ভালোবাসি ওদের ভালোবাসা দিতে।


ভালোবাসি গ্রাম বাংলার মাটি কে,

ভালোবাসি গ্রাম বাংলার জল বায়ুকে।

ভালোবাসি  ভাঙাওই কুঁড়ে ঘরটিকে,

ভালোবাসি সকল মায়ের আঁচল কে।


ভালোবাসাতে চাই বিশ্বের সকল দুঃখী জনকে,

ভালোবাসাতে চাই সকল অবহেলিত 

'মা' কে।

ভালোবাসাতে চাই দীন-দরিদ্র হতাশা-গ্রস্থ ভগ্নহৃদয় জনকে,

মানুষ হতে চাই,হৃদয় দিয়ে ভালোবেসে মানুষকে।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================





Sunday, September 4, 2022

935>|| এটাই জীবন ||

 


    935>|| এটাই জীবন ||

             <---আদ্যনাথ--->

জীবন নিজেই এক আনন্দ সাগর,

যে সাগরের নির্দিষ্ট সীমা থাকেনা।

জীবন নিজেই কিছু দুঃখ,

যে দুঃখের কোন সমাধান থাকেনা।

জীবন নিজেই কিছু প্রশ্ন,

যে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়না।

জীবন নিজেই কিছু ভুল,

যে ভুল কখনো শোধরান যায় না।

জীবন নিজেই কিছু কষ্ট,

যে কষ্ট কাউকেই বলা যায় না।

জীবন নিজেই কিছু চাহিদা,

যে চাহিদা তৃপ্তি দায়ক হয় না।

জীবন নিজেই কিছু ইচ্ছা,

যে ইচ্ছা কোনদিনই পূর্ন হয় না।

জীবন তো খুশি চায়,

যে খুশির কোন বাঁধন থাকে না।


জীবনে সুখী মানুষ সেই জন,

সর্বদা কর্ম ব্যস্ত যার জীবন।

সংসারে দুঃখী মানুষ সেই জন

অপরের খুশীতে ত্রস্ত সেই জন।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


Friday, September 2, 2022

934> || ভাল আছি ||

 


  934> ||  ভাল আছি ||

            <---আদ্যনাথ-->


কেমন আছি!!

খুব সহজভাবে বললাম, 

ভালো আছি, বেশ ভালো আছি।

হাঁটুর ব্যাথা,বয়সের ভার,

রেলিং ধরেই উঠতে হয় দোতলায়।

ছাদে যাওয়া টা ভুলেই গেছি বোধ হয়।

দাঁতের কারণে,কিছু পারিনা চাবাতে,

রুটিও খেতে হয় চটকে মেখে।

ওরা আসেনা ফোনেই জানতে চায়,

 বলি  ভাল আছি,বেশ ভালো আছি।


সব কিছুই যেন ঝাপসা দেখি,

পড়তে চাই কিন্তু সব ঝাপসা লাগে

লিখতে বোধ হয় ভুলেই গেছি।

ব্যাঙ্কে সই মিলতে চায় না,

বার বার হাতটা কেঁপে কেঁপে যায়।

গিন্নি বলে ইচ্ছা করেই নাকি শুনিনা,

ইচ্ছা করেই নাকি লিখিনা,

হাত যে কাঁপছে সেটা কেউ দেখে না।

কেমন আছি,ফোনেই জানতে চায়,

বলি  ভাল আছি,বেশ ভালো আছি।


চাওয়া পাওয়ার পেয়েছি অনেক,

তবুও রয়ে গেছে কিছু শেষ।

মনটাকে অনেক নিয়েছি গুটিয়ে  

তবুও মনেনা মন চায় ছুটতে চুটিয়ে।

চায় দৌড়ে বেড়াই পাহাড়, জঙ্গল,

তাইতো ডুয়ার্স যাবো বেঁধেছি কোমর।

হয়তো হয়েছে কিছু বয়স বেশি

মন মানতে চায়না যৌবনের বেশি।

ফোনেই জানতে চায়,কেমন আছি,

বলি  ভাল আছি,বেশ ভালো আছি।


হয়তো কমেছে হাত,পা,কোমরের জোর,

তথাপি মনে আছে অফুরন্ত জোর।

ঘুরে বেড়াবো দেশ বিদেশ,জঙ্গল,পাহাড়

মনের ইচ্ছা পূরণে অতিশয় তৎপর।

বয়সের সাথে অনেক কষ্টও বাড়ছে

হোকনা কষ্ট সহ্য করতেও হয় জানতে।

মনের ইচ্ছা পূরণে যদি হয় শরীর পতন,

ক্ষতি কি এভাবেই যদি হয় ইচ্ছা পূরণ।

ওরা ফোনেই জানতে চায় কেমন আছি,

বলি  ভাল আছি,বেশ ভালো আছি।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================

=====================


Monday, August 22, 2022

933> || আনন্দের দিশা ||

        933> || আনন্দের দিশা ||

                     <---আদ্যনাথ--->

শোক মানুষকে মুহ্যমান করে,নিঃস্ব করে,

আবার  শোক মানুষকে পরিণতও করে।

শোক নিয়ে ডুবে থাকলে বাঁচা কঠিন হয়,

শোককে ভুলে নুতন করে বাঁচতে হয়।

শোককে ভুলতে হাসি খুশি থাকতে হয়,

দরিদ্র অসহায়ের সহায় হতে হয়।

শিশুদের সঙ্গে মিশে আনন্দে থাকতে হয়।

দুঃখী জনের মুখে একটু হাসি ফোটাবার চেষ্টা করতে হয়।

এভাবেই নিজের শোককে ভুলতে হয়,

 সকলের সাথে আনন্দে বেঁচে থাকতে হয়।

জীবন আছে, তাইতো শোক দুঃখ আছে,

নিজেই নিজের শোক দুঃখ কে জয় করতে হবে।


  আনন্দ সাগরে ডুবিলে মন,

 শোক দুঃখ আর রবেনা তখন।

 যেথা আনন্দ সেথাই বৃন্দাবন,

  হৃদয় মাঝেই বসেন মধুসূদন।


কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক,

 সকলি বুঝি হৃদয় মাঝে রয়।

 আনন্দে পূর্ন রহিলে হৃদয়,

শোক দুঃখ সেথা কি আর রয়!


  আনন্দই দেখায় জীবনের পথ

  দুঃখ সদাই  অন্ধকারের সাথ।

  হৃদয়ভরা যার হা-হুতাশ ব্যাকুল,

  সেই দুঃখীজন পায়না কোনকুল।


      আনন্দ সাগরে ডুবিলে মন,

     হৃদয় আনন্দ পূর্ন রয় অনুক্ষণ।

    নদী মোহনায় সাগরে মিলন,

    আনন্দের উচ্ছ্বাস ঢেউ অবিরল।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================  

Saturday, August 20, 2022

932>|| ভালোলাগে ||

 


 932>|| ভালোলাগে ||

           <--আদ্যনাথ-->

ভালোলাগে কারণ 

মনেরাখেন রোজ সকালে।

কিছু লেখেন মনেকরে,

কিছু বলেন আদর করে।

কিছুপ্রাপ্তি খুঁজি অবিধানে,

কিছু খুঁজি মনে মনে।


ভালোলাগে কারণ 

মনেরাখেন রোজ সকালে।

কিছু ভাবনা মনে জাগে,

কিছু বলতে ইচ্ছা করে।

কিছু চাওয়া পাওয়া থাকে মনে,

কিছু নুতন ভাবনার দুয়ার খোলে।


ভালোলাগে কারণ 

মনেরাখেন রোজ সকালে।

কিছু স্বপ্ন মনে জাগে, 

কিছু না বলা কথা গোপন থাকে।

কিছু খোঁজে মন অনেক ভেবে,

কিছু পেয়েজায় অতি সহজে।


ভালোলাগে কারণ 

মনেরাখেন রোজ সকালে।

কিছু থাকে লোকচক্ষুর আড়ালে,

কিছু ভাবনার জটিলতা বাড়ে।

কিছু পরশের আদর ভালো লাগে,

কিছু পাওয়া মনের গোপনে থাকে।

       <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=========================


Sunday, August 14, 2022

931>|| সময় কথা বলে ||

 931>|| সময় কথা বলে ||

                 <--আদ্যনাথ-->

সময় কথা বলে

পুরোনো দিনের কথা মনেপড়ে।

ভালোলাগার দিনগুলো

বোধহয় হারিয়ে গেছে।


একলা-মন অনেক কিছু খুঁজে চলে,

মনের মানুষ গুলিও হারিয়ে গেছে।

স্বার্থ আর লোভ ছড়িয়ে আছে,

কেমন যেন নির্লজ্জ্য বেআব্রু লাগে।


ভালোবাসা বোধহয় হারিয়র গেছে,

মানুষ গুলো বুঝি রোবট হয়ে গেছে।

অর্থের লালসায় নিজেকে ভুলে গেছে,

অর্থের কালো গহ্বরে  বেঁচে থাকে।


ভালোলাগা আদোর মাখা দিন গুলো,

স্বপ্ন হয়ে বেঁচে আছে গভীর মনে।

শরতের সন্ধ্যায় একটু মিষ্টি হওয়া,

মনের কোণে দোলদিয়ে যায় একলা।


কতো স্বপ্ন গল্পকথা গভীর রাতে,

গঙ্গার পারে, নির্জন সৈকতে।

আকাশের নীচে শুয়ে গভীর রাতে,

সমুদ্র সৈকতের বালু গায় মেখে।


সব গল্প স্বপ্ন হয়ে হারিয়ে গেছে,

বয়সের ভারে স্মৃতি গুলো হারিয়ে গেছে।

যা আছে যেটুকু এখনো আছে,

শুধু সময়ের অপেক্ষায় দিন গোনে।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

==========================


930>|| আনন্দে ভরুক মন ||

 


930>|| আনন্দে ভরুক মন ||

           <---আদ্যনাথ--->

দুরন্ত এই গতিময় জীবনে,

বাঁচতে হবে প্রানভরে,

হাসতে ও জানতে হবে,

ভালোবাসতে জানতে হবে।

জীবনকে খুঁজে নিতে হবে,

নিজেকে জানতে হবে।

প্রকৃতির সাথে মিশতে হবে,

সকলকে ভালো বসতে হবে।

প্রাণ খুলে হাসতে হবে,

সকল হিংসা,ক্রোধ ভুলে

লোভকেও ভুলতে হবে,

তবেই আনন্দলোক খুঁজে পাবে।

<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


929>13th Aug 2022::--অপরাজিতা::--

 929>13th Aug 2022::--অপরাজিতা::--


NGO Aprajita র প্রেরণায় এবং ওদের উৎসাহের ক্ষুদ্র প্রয়াসে

13/08/2022

বিনিপয়সার বাজার।

বর্ধমান-পশ্চিম, চরণ পাড়া।

জাদবগঞ্জের আউশ গ্রামের চরণ পাড়ার পূর্বিতা নামক এন জি ও র তত্ত্বাবধানে অপরাজিতার আয়োজনে সংগঠিত হলো বিনিপয়সার বাজার।

সেখানে আমরা অপরাজিতার সাথে কিছু সামগ্রী নিয়ে জামা, কাপড়, চাদর, মশারি,

খেলনা, খাতা, কলম, বই,নিয়ে উপস্থিত ছিলাম।

গ্রামীণ এলাকা জায়গাটা বর্ধমানের আউশ গ্রামের যাদবগঞ্জের এক প্রত্যন্ত অঞ্চল চরণ পাড়া। ভীষণ রুগ্ন ও দরিদ্র সীমানার নিচে বসবাস করা এক গ্রামীণ এলাকা।


আমাদের বাড়ি ঘরের  অতিরিক্ত জিনিষ

এবং কিছু নুতন পোশাক কাপড়,মেয়েদের শাড়ি ইত্যাদি রাখলাম ওদের সামনে বললাম এটা বিনিপয়সার বাজার। তোমরা নিয়ে যাও যার যেমন দরকার। সেখানে ছিল ছোট থেকে বড় সকলের জন্য জামা পেন্ট,কাপড়, মশারি, চাদর। কিছু আসবাস জিনিষ পত্র,বেশ কিছু খেলনা সামগ্রী, কিছু নুতন খাতা বই, প্ৰন্সিল কলম ইত্যাদি।

 ওরা সে গুলি পেয়ে যে কতটা খুশি হয়েছে , ওদের মুখের সেই আনন্দ-পূর্ন তৃপ্তির হাসি, যা আমাদের মন প্রাণ পূর্ন করে দিয়েছে।

 সার্থক হয়েছে  আমাদের সারাদিনের প্রয়াস।

ওরা খুশিতে নেচেছে, গেয়েছে আমাদের হৃদয় ভরে দিয়েছে।

আমাদের প্রচেষ্টায় সমান্য একটু হলেও স্বর্থকতার রং লেগেছে। তাইতো আবার যাবো ওদের কাছে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছি।

ফেরার পথে বর্ধমানের সিতাভোগ,মিহি দানা,শক্তিগরের ল্যাঞ্চা কিনে বাড়ি ফিরলাম।


ঘন সবুজের মাঝে মুক্ত হওয়ায় নির্মল শান্ত পরিবেশে কিছুক্ষন আনন্দ উপভোগ করতে আবার যাবো।

============================



 

Sunday, July 17, 2022

928>|| ভাবনা ||

           928>|| ভাবনা ||

                <-----আদ্যনাথ-->

থাকা আর না থাকা কারুর নিজের হাতে নাই।

তাই যতক্ষন আছি আনন্দ করতে চাই।

জন্ম হয়েছে নিজের ইচ্ছায় নয়।

মৃত্যুও হবে একদিন নিজের ইচ্ছায় নয়।


তবে আর মরনকে কেন রকি ভয়?

কর্ম করে যাবো যেমন মনে লয়।

শুধু ভ্রান্তির ভাবনাতেই সব নিজের মনে হয়।

শেষ বেলাতেও খালি হাতেই যেতে হয়।

আসা যাওয়ার মাঝে শুধু অলীক স্বপ্নে মন ভরে রয়।

     

উত্তর পাওয়া টা এক আনন্দের শিহরণ,

মনে হয় অনেক পেলাম কিছু ভাবনার কারণ।

ভালো লাগা-না-লাগা হয়তো একান্ত গোপন ব্যাপার,

অবহেলা করাটা মনের বিষোদ্গার।


ভালো বাসতে পাড়াই মহত্বের নিদর্শন,

ঘৃণা আর অবজ্ঞা অহঙ্কারের কারণ।

ফুলতো সুন্দর প্রকৃতির কারণ

সময় কে অবহেলা মূর্খতার কারণ।


কিছু পাওয়া না-পাওয়া কর্মদক্ষতার কারণ,

অনেক পেয়েও হাহাকার অতি লোভের কারণ।

মনের সন্তুষ্টির সাধনের নাম সংযম,

নিয়মনিষ্ঠ একাগ্রতা নয় মনের বন্ধন।

       <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


Friday, July 8, 2022

927> || অক্ষর ব্রহ্ম::--||

     927> ||   অক্ষর ব্রহ্ম::--||

                   <---আদ্যনাথ-->

এক অক্ষরে শ্রেষ্ঠ শব্দ "মা",

দুই অক্ষরে শ্রেষ্ঠ শব্দ "বাবা",

তিন অক্ষরে শ্রেষ্ঠ শব্দ "বিবেক ",

চার অক্ষরে শ্রেষ্ঠ শব্দ "ভালোবাসা ",

আর অক্ষর জ্ঞানে শ্রেষ্ঠ শব্দ " ওঁ "বা ওঁ-কার।


গীতার অক্ষর ব্রহ্ম যোগের মাধ্যমে অর্জুনকে কৃষ্ণ লাভের পথ দেখিয়েছিলেন বাসুদেব। 

এটাই চিরন্তন, চির সত্য, অক্ষরই ব্রহ্ম।

ওঁ বা ওঁ-কার (অপর বানানে ওঙ্কার) বা প্রণব অথবা ত্র্যক্ষর পবিত্রতম ও সর্বজনীন প্রতীক। 

হিন্দু দর্শনের সর্বোচ্চ ঈশ্বর ব্রহ্মের বাচক।

স্বামী বিবেকানন্দের মতে ওঁ-কার “সমগ্র ব্রহ্মাণ্ডের প্রতীক, ঈশ্বরেরও প্রতীক।”

 শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব বলেছেন, “...ওঁ হইতে ‘ওঁ শিব’, ‘ওঁ কালী’, ‘ওঁ কৃষ্ণ হয়েছেন।” 

কঠোপনিষদ মতে, ওঁ-কার পরব্রহ্ম।

ওঁ-কার ঈশ্বরের সকল নামের প্রতিনিধিস্বরূপ ও তার শ্রেষ্ঠ নাম।

আর ওঁ তৎ সৎ" শাশ্বত ধ্বনি-প্রণব,

অব্যক্ত এবং পরম বাস্তবতার প্রতিনিধি। 

"বাস্তবতা" অর্থাৎ সম্পূর্ণ অস্তিত্ব।

"ওঁ তৎ সৎ" আসলে পরমাত্মার ত্রিগুণ নাম যা দিয়ে ব্রহ্মাণ্ডের শুরুতে ব্রহ্ম, 

বেদ ও যজ্ঞ তৈরি হয়েছিল।

"তৎ" অর্থাৎ সবকিছুই ভগবানের

সৎ" অর্থাৎ সত্য।

    আর এই "সৎ" শব্দটি সত্যের সাথে সম্পাদিত সমস্ত ক্রিয়া ও কর্তব্যের প্রতিনিধিত্ব করে, এটিও বলা হয় যে যজ্ঞ, তপস্যা ও দান-এ উপস্থিত সমস্ত কিছুকে "সৎ" হিসাবে বিবেচনা করা হয়, এছাড়াও শুধুমাত্র পরমেশ্বরের সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে যে ক্রিয়াগুলি করা হয় তা "সৎ" শব্দ দ্বারা নির্দেশিত হয়।

                <---আদ্যনাথ-->

============================


Monday, July 4, 2022

926>|| সম্পর্ক ++ভালোলাগা ||

       926>|| সম্পর্ক ++ভালোলাগা ||


             || সম্পর্ক ||

                <--আদ্যনাথ-->

সম্পর্ক গুলো ঠিক জল যেমন,

নাই কোন রূপ,রং,গন্ধ, শুদ্ধজল যেমন।

কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের জীবন,

বিশুদ্ধ জলেরই সুন্দর নাম জীবন।


 সমুদ্রের বিশাল জল রাশি রাশি,

পিপাসা মেটেনা কোনকালেই জানি।

তবুও  সম্পর্ক-কে ভালবাসি,

বিশুদ্ধ জলকেই জীবন বলে মানি।


অশুদ্ধ নোংড়া জল বিষাক্ত জানি,

তেমন সম্পর্ক থেকে সদাই দূরে থাকি।

সম্পর্ক সুন্দর হয় স্বার্থ,লোভ না-থাকলে,

জলও শুদ্ধ হয় রোগ-জীবাণু মুক্ত হলে।


পরিশ্রুত বিশুদ্ধ জল মূল্যবান অতি,

সুন্দর সম্পর্ক জীবনেকে দেয় গতি।

জলের অভাবে জীবন বাঁচেনা দীর্ঘক্ষণ,

সু-সম্পর্কের অভাবে জীবন অতি কঠিণ।


সম্পর্ক সুন্দর হলে সমাজের কল্যাণ

পরিশুদ্ধ জলেই বাঁচে সমাজ জীবন।

অপচয় অবহেলা কখনো উচিৎ নয়,

জল ও সম্পর্ক উভয়ের সর্বনাশ হয়।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================


   || ভালোলাগা ||

           <--আদ্যনাথ-->

ভুলতে না পারার দিনগুলো

ভাবায় অনেক,

কিছু বলতে ভাবনা গুলো

আছে চিন্তা অনেক।


ভোলা যায়না প্রথম ভালোলাগা,

সেদিনের প্রথম হাত ধরা,

মনের গভীরে আছে অনেক কথা,

কিছু বলা আর কিছু না বলা কথা।


তবুও ভালোলাগে ভালো লাগা

জানিনা কেমনে কিছু যাবে বলা,

মন চায় তাইতো বলতে হবে,

ভাবনা মনে মানেই বলতে হবে।

   <-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

======================



Monday, June 27, 2022

925>|| কাক ভেজা ||

         

       925>||  কাক ভেজা ||

                        <---আদ্যনাথ-->

বর্ষার রাত্রে মেঠোপথে অন্ধকারে,

কঠিন চলা বার বার কাদায় পা পিছলে।

অজানা আতঙ্কে মনের ভয় লুকিয়ে,

কে জানে কি হয় গন্তব্যে পৌঁছতে।

তথাপি চলতে হবে একলা অজানা পথে,

অনেক ভাবনা আছে মনের গোপনে।

আবার একঝাঁক বৃষ্টি ভিজিয়ে দিলো,

পথের কাদার পিচ্ছিলতা বেড়ে গেল।


অজস্র বেঙের কোলাহল ছন্নছাড়া,

ওরা মিলনের তরে ব্যাকুল দিশেহারা।

বৃষ্টি ভেজা পথের সাথী কুকুর গুলো,

অজানা মানুষ চিৎকারে জানিয়ে দিলো।

একেই কি বলে কাক ভেজা

তবুও যেতে হবে খালের ওপারে।

সকালেই হাট বসবে ওই জঙ্গলের ধরে

পৌঁছতে হবে মাঠের ওপারের ওই গ্রামে।

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================


924> || বেঁচে থাকা ||

 


   924> || বেঁচে থাকা ||

          <--আদ্যনাথ-->


অনেক স্বপ্ন অনেক আশা, 

এই নিয়েই বেঁচে থাকা।

জীবন মানেই দুঃখকে জয় করা,

বেঁচে থাকার জন্যই  যুদ্ধ জয় করা।

জলের আর এক নাম  জীবন, 

কিন্তু জীবন নয় স্বচ্ছ জলের মতন।

হতেপারলে নুনের মতন

কিছুটা হলেও স্বার্থক জীবন।

উপস্থিতিতে কেউ বুঝবে না তেমন

অনুপস্থিতিতেই হবে মূল্যায়ন।

আসলে জীবনের মূল্যায়ন

নানা মুনির নানান মন।

জীবনের আছে নানা ইস্তাহার,

জ্ঞানীর কাছে এক অলীক উপহার,

ধনীর কাছে জীবন কেবল খেলাঘর

বোকায় কাছে জীবন এক নাটকের ঘর,

দরিদ্রের কাছে সংগ্রাম জীবন ভর।

       <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================


923> || অশনি ||

    923> || অশনি ||

         <--আদ্যনাথ-->

তুষ্ট মনে বিধ্বস্থ শরীরে,

কর্ম হীন অলস মস্তিষ্কে,

ভাবনার পাহাড় ডিঙিয়ে,

দিনগতো না-কি পাপগতো দিন ক্ষয়ে।


ভাবনা মৌমাছি কেন চাক গড়ে,

সেকি কেবলি মানুষের পুষ্টির জোগারে।

ফুল কেন মধু দেয় তারে,

সেকি কেবলি মৌমাছির সুখের কারণে।


মেঘ তো হবেই, বৃষ্টি ও হবে,

তবে মেঘ-ভাঙ্গাবৃষ্টি কেন হবে?

কত মানুষ দৌড়চ্ছ,উর্ধস্বাসে,

কিছু, আরো কিছু পাবার লোভে।


জানিনা এর শেষ কোথায়

অজানায় কিছু পাওয়ার আশায়।

স্বপ্ন গুলি একে একে ভেঙ্গে যায়,

তবুও কিছু স্বপ্ন হাতছানি দিয়ে যায়।


গোপন ইচ্ছার দুয়ার খুলেজায়

অনেক ভাবনা উকিমেরে যায়।

দূর আকাশে বলাকা উড়ে যায়

স্বপ্নের মেঘ মনেই জমে যায়।


তবুও ছুটে চলা কিছু পাবার আশা

স্বপ্ন গুলোকে মনে বাঁচিয়ে রাখা।

মনে লুকিয়ে অনেক নাবলা কথা,

নিশুতি রাতে একলা বসে থাকা।


না দেখা না পাওয়া মনকে টানে

তাই তো মন একলাই খুঁজে চলে।

যদি বা পাওয়া তবু মেটেনা আশা

আরও অনেক নাপাওয়া খুঁজে চলা।

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

============================

 


922>|| নিস্তব্ধতা ||

 922>|| নিস্তব্ধতা ||

                        <---আদ্যনাথ-->

একলা চলেছিলাম পথ অজানা ,

হঠাৎ পেলাম কিছু ভালো লাগা।

সবই কি স্বার্থের তাগিদে,

আজও পারিনি বুঝতে।

কত অন্তরঙ্গতা আদর মাখা মাখি,

সকলই স্বার্থের অজুহাত বুঝি।

অক্লান্ত পরিশ্রম দিনভর কর্মব্যস্ততা,

মিটিয়েছি সকলের মান অভিমান সবটা।

এবার আমার আমিটাকে 

দিতেহবে বিসর্জন।

আর কোনকিছু প্রকাশ করাথেকে

নিয়ন্ত্রণ করতে হবে নিজেকে।


মৃত্যু চিরন্তন সত্য প্রকৃতির এক ছন্দ,

জন্ম মৃত্যু নিয়েই প্রকৃতির স্পন্দ,

বারবার আপাত মৃত্যুও সত্য,

লাশ না হয়ে যাওয়া পর্যন্ত সত্য।

জীবনের আগামী দিনকে সুগম করতে,

মৃত্যুকে গ্রহণ করতে হয় সহজ ভাবে।

প্রকৃতি সদাই জীবনকে বাঁচিয়ে রাখে,

জীবন যুদ্ধে বেঁচে তো থাকতেই হবে।

গভীর জঙ্গলের নিস্তব্ধতা

প্রকৃতির এক অপূর্ব শৃংখলা।

মনকে মাতিয়ে দেয় উদাসী হাওয়া,

ভালোলাগার স্বপ্ন গুলি খুঁজে পাওয়া।

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

==========================


921>|| মনে আছেকি আমাকে? ||

   921>|| মনে আছেকি আমাকে? ||

              <--আদ্যনাথ-->

হে বন্ধু সুধীজন জবাব দিও

সুস্থ বা মন্দ যেমনি থাকো।

যদি মনেপড়ে আমাকে,

প্রভাতের প্রথম কিরণের সাথে।


জানি তোমরা আছো সুন্দর সানন্দে

নিজের মতন নিজের পছন্দে।

তবুও জাগে সংশয় অন্তর মনে,

চাই, ভালো থেকো আগের মতন করে।


ফিরুক সকল জীবনের সুন্দর ছন্দ 

মনে যেন না থাকে কোন প্রকার দ্বন্ধ।

ভাগ করে নিও  জীবনের আনন্দ,

ক্ষণিক বইতো কিছুই নাই সন্দেহ।


ভালো থাকুক,আসবেই সুন্দর দিন

কিহবে ভেবে হারিয়ে যাওয়া দিন।

এই বয়সেও হাত ধরে চলতে হয়,

প্রতিদিন কতো নুতন শিখতে হয়।

      <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================

Sunday, June 19, 2022

920> || একলা চলা ||

     920> || একলা চলা ||

                   <---আদ্যনাথ--->

একলা পথ চলায় মজা

সে আনন্দ যাবেনা বোঝা।

পথ যদি হয় নির্জন

নিশুতি রাত্রিত নিমন্ত্রণ।

সেই চলাতেই আনন্দ কিছুক্ষন

মনের গহনে ডুব দেওয়ার ক্ষণ।

হোকনা একটু ভালবাসা কিছুক্ষন

যদি মন করছে করুক পর্যবেক্ষণ।

আনন্দ লুটে নিতে সময়ের ফাঁকে,

একলা মনের গভীরে চেয়ে থেকে।

তাইতো চলা পথে একলা

ভালোবাসায় থাকেনা শর্তের পালা।

এভাবেই শুরু হোক পথ চলা 

রয়ে যাক মনের কিছু কথা বলা।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========================

Friday, June 10, 2022

919> || তুলির আঁচড় ||

          919> ||  তুলির আঁচড় ||

              <---আদ্যনাথ-->

আজ আবার ভাবাচ্ছে  বার বার,

অতীতের সেই রঙিন দিনগুলো আবার।

সেদিনের মনের সেই রঙিন উন্মুক্ত দুয়ারে

ছিল কতো অফুরন্ত আনন্দ উল্লাস,লুকায়ে।

আজ যেটুকু আছে স্মৃতিতে ঢাকা

জীবনের শেষ প্রান্তে সে যে নীরব ব্যাথা।

কিছু স্মৃতি, 

আজও ছড়ায় সুরভী ফুলের মত,

কিছু স্মৃতি

আজও বিঁধিছে বুকে কাটার মত।

স্মৃতির নীরবতা কখনো হাসায় সুখের আবেশে,

কখনো গভীর আবেশে ভাসায় অশ্রু জলে।

কিছু স্মৃতি, কখনও যায়না ভোলা,

কিছু স্মৃতি,নীরবে বার বার  মনে দেয় দোলা।

একলা বসে জীবন পাতার শেষ প্রান্তে,

বার বার স্মৃতি মন্থন করে চলছি নীরবে।

স্মৃতিচারণের রঙ্গীন তুলির টানে বিভোর মন

তুলির শেষ টানে বুঝি নূতনের আলিঙ্গন।

                  <---আদ্যনাথ-->

=============================

Wednesday, June 1, 2022

918>|| আপন ও পর ||

 918>|| আপন ও পর  ||

           <--আদ্যনাথ-->

ভবে কে-যে আপন কে-যে পর,

আজ যে আপন কাল সে পর।

সকল মানুষের একটাই ঘর,

স্বার্থের লোভে ভাঙে সেই ঘর।


যখন নিজেই ভাঙে নিজের ঘর

কি করে সামলাবে প্রতিবেশীর ঘর।

সংসার সাগর মাঝে আলো,অন্ধকার,

পাগলের দলে সবাই করে হাহাকার।


ঘুম সেতো সুস্থ মনের নীরব স্বপ্ন পুরী,

শরীর থাকতেই হয়ে যায় মনের চুরি।

তথাপি  চাই আরো চাই,

সকাল থেকে সন্ধ্যা চাই আর চাই।


চাওয়ার বুঝি আর নাই শেষ,

চাওয়া পাওয়ার মাঝে বড়ই প্রভেদ।

চাওয়াটা পেলেও বোধহয় কাঁদায় বড়,

চাওয়াটা নাপেলে হতাশায় জর-সর।


তবুও থাকতে হবে বলতে হবে আছি ভাল,

এমন করেই কাটবে জীবন থাকতে ভাল।

সবছেড়ে যদি নিজেকে নিয়েই ভাবি,

ভালো থাকার জন্য চলেনা চালাকি।


মানুষ আমরা করি সমাজের চিন্তন,

আত্ম স্বার্থই সকল অশান্তির কারণ।

তথাপি চাওয়ার নাই বুঝি শেষ,

চাওয়া পাওয়া ভাবনার হোক শেষ।


চাওয়া পাওয়ার সঠিক পথ জানা চাই,

সাথে মুক্তি পাওয়ার সাহস থাকা চাই।

ভবিষ্যৎ কারো জন্য প্রতিশ্রুত নয়,

কিছু পেতে তৎকাল কাজে নামতে হয়। 

    <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=========================





Monday, May 30, 2022

917>|| ভ্রমনের স্মৃতি ||


        917>|| ভ্রমনের স্মৃতি ||

                     <--আদ্যনাথ--->

ভ্রমণ গভীর মনের ভালোলাগার নেশা,

কত জানা অজানা সুন্দরকে চোখেদেখা।

যত ঘোরাজায় ততোই চোখ ভরে যায়,

স্মৃতি সাজিয়ে নেওয়া যায় মনের কোঠায়।


মন সর্বদা কিছু নুতন খুঁজে পায়,

ভ্রমণ বুঝি নুতন করে বাঁচতে শেখায়।

ভ্রমনের লাভ একান্ত নৈসর্গিক আনন্দ,

ভ্রমনের লাভ একান্ত নিজের পছন্দ।


ভ্রমনের লাভ একান্ত অজানাকে জানা,

ভ্রমনের লাভ একান্ত নিজেকে জানা।

ভ্রমণে সর্বদা উন্মুক্ত হয় মনের ছন্দ,

ভ্রমণে নিশ্চই  খুঁজেনিতে হয় ভালো মন্দ।


ভ্রমণে খুঁজে নিতে হয় পথের দিশা,

ভ্রমণে নিশ্চই দূর হয় মনের হতাশা।

ভ্রমনে খুঁজেপাওয়া যায় নুতন বন্ধু,

ভ্রমনে জেগে ওঠে মনের সুপ্ত সিন্ধু।


ভ্রমনের স্মৃতি মন প্রাণ কে সতেজ রাখে,

ভ্রমনের স্মৃতি মন প্রাণ কে সাজিয়ে রাখে।

ভ্রমণের স্মৃতি নুতন করে বাঁচতে শেখায়,

ভ্রমণের স্মৃতি আজীবন মনকে মাতায়।

       <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


916>|| স্মৃতি ||+2

     916>|| স্মৃতি +স্মৃতির ভাবনা ||

             3>|| স্মৃতির স্বপ্ন ||

    =======================

   916>|| স্মৃতি ||

            <--আদ্যনাথ-->

খুঁজে পেলাম পুরাতন কিছু ছবি,

ওগুলো ফেলেআশা দিনের স্মৃতি।

হৃদয়ের ছোঁয়া, কিছু কথা বলা,

অনেক দেখা, না দেখার কিছু বলা।

সুখের অনুভুতি গুলি অ-মসৃণ আজ,

পেলাম পুরানো সেই স্মৃতির মেজাজ।


পুরানো স্মৃতিগুলি সময়ের ব্যবধানে,

অনেক মলিন পুতারন  হয়েছে বটে,

তবুও ওরা বার বার টানে,

স্মৃতি সেতো বটে।

কিছু মানুষেরে একান্ত আপন জানি

তাকে ভাষায় প্রকাশ করা অসম্ভব মানি।


স্মৃতির ঘিলু গুলি ঘেঁটে,

সুড়সুড়ি নয়, নখের আঁচড়ে,

স্মৃতির বন্ধ দুয়ারে স্বপ্ন আছড়ে পড়ে।

দাগ কখনো মধুর,কখনো বেদনা ময়,

কখনো হৃদয় বিদারক অসহায়,

লুকায়ে কখনো অশ্রু ঝড়ে বেদনায়।


স্মৃতির পাতার  অনেক পুরাতন ব্যাথ

 স্বপ্ন গুলিও যেন বলতে থাকে কথা।

স্মৃতির ভাঁজে অনেক জীবনের গাথা

সেই দিনগুলির কথা হয়ত দেয় ব্যাথা।

অ-যত্নে স্মৃতিগুলির রং হলেও মলিন,

স্মৃতির আঁচড়ের দাগ বড়ই গভীর।

    <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

========================

916/1>|| স্মৃতির ভাবনা ||

              <----আদ্যনাথ-->

স্মৃতি মনের গভীরে লুকিয়ে থাকে।

স্মৃতি মনকে জাগিয়ে রাখে,

স্মৃতি অনেক কিছুই ভুলিয়ে রাখে,

স্মৃতি স্বপ্নের সাথে সজাগ থাকে।


স্মৃতির ভাবনা মনকে সজাগ রাখে,

স্মৃতির ভাবনাই মনকে ভরিয়ে রাখে।

স্মৃতিকে নিয়ে কত পথ পার হয়ে যাই,

স্মৃতির আঙ্গিনায় স্মৃতিকেই খুঁজে বেড়াই।


  স্মৃতি যখন বেদনা----

হৃদয়ের অন্তরালে ঝড়ের আনা গোনা,

স্মৃতির আয়নায় নিজেকে হারিয়ে যাবার ভাবনা।

কত উদাস দুপুর,বিষন্ন গোধূলী,

ভাবনা গুলি দাঁড়িয়ে স্মৃতির মুখোমুখি।


স্মৃতির নীরব ভাবনা----

সকাল-দুপুর-সন্ধ্যা-জোৎস্না-মাখা রাতে

ফেলে আসা ক্ষণগুলো হৃদয়ের গভীরে 

স্বপ্নের পটভূমিতে স্মৃতির মন বেদনাতে,

অস্থির মন খুঁজে বেড়ায় ভালোবাসাকে।


যে স্মৃতি স্বপ্ন দেখায় বেঁচে থাকার,

তাকে বেশী মনে পড়াটাই স্বাভাবিক

হয়তোবা মানবিক।

এমন ভাবনার পথ চলা হয়ত কঠিন,

উজান না বাইলে চলাটাই মলিন।


সময়ে ফুল ফোটে আবার ঝরে যায়,

ভাবনা ও প্রীতি মনে রয়ে যায়,

ভালোবাসা চলে গিলে রেখে যায় স্মৃতি,

মন সেই ভাবনাই বয়ে বেড়ায়।


উদাসী মন ভালোবাসাকে খুঁজে বেড়ায়,

রাতের আকাশে চাঁদের আলো জোৎস্না ছড়ায়।

একলা মন স্মৃতি পাহাড় বয়ে বেড়ায়,

ফেলেআস দিনগুলির অনেক কথাই মনে পড়েযায়।


ভালোবাসা মরে গেলে জেগে ওঠে বুকে ব্যথা গুলি,

দুঃখের ব্যথার চাইতে কাঁদায় বেশি সুখের ব্যাথাগুলি।

স্মৃতির মোড়কে সুখ দুঃখ উভয়েই কাঁদায়

স্মৃতি এক ভাবনা দিনরাত গভীর ভাবায়।


রাতের রজনীগন্ধা সকালে হয় মলিন

রাতের পরে শুরু হয় নতুন দিন।

উজানে এগিয়ে চলা হয়তো কঠিন,

উজান না বাইলে জীবন আড়ম্বর হীন।


ভাবনা যখন স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখে,

মনের বেদনা হয়ত অশ্রু হয়ে ঝরে।

স্মৃতির কপাট বন্ধ হলে

বেঁচে থাকাটাই বিড়ম্বনা মনে হবে।

  <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

=======================

      3>|| স্মৃতির স্বপ্ন ||

    <--আদ্যনাথ-->

স্মৃতির স্বপ্নে ডুবে মন 

নিরালায় খোঁজে আপন জন।

আপন বলতে ছিল যেজন,

করোনার চলে গেছে বহু যোজন।

সেই না ফেরার দেশে, 

অনেক চিকিৎসার শেষে,

আজ শুধু স্মৃতি টুকুই আছে,

স্বপ্ন গুলিও যেন ঝাপসা হয়ে গেছে।

তবুও সেই স্মৃতি টুকুই আছে,

মনের কোণে, কিছু আপন ভেবে।

সময় বড়ই নিষ্ঠুর, সব করে নেয়,

যাকিছু ভালো তাঁরাই যেন আগে চলে যায়।

উত্তপ্ত ছাইগুলো ঠান্ডা হয়ে গেছে,

কত আপন জন বুঝি চলে গেছে।

সময় বড় নিষ্ঠুর সব করে নেবে,

সময়ের মূল্য না বুঝলে, সময় ঠিক জানিয়ে দেবে।

কে আপন কে পর সব স্মৃতি হয়ে রবে।

 <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী------>

======================



Friday, April 29, 2022

915> || বুনো ফুল ||

   915> || বুনো ফুল ||

                 <---আদ্যনাথ--->

বনের ঐযে বুনো ফুল গুলি,

কি অপূর্ব, বনেই সুন্দর ওগুলি।

মানুষ তো কতই আছে,

কে কাকে ডেকে নেয় কাছে।  

যার ছিল ভাবনা যাবে দূরে,

সেই বার বার আসে ঘুরে ফিরে।

সোজাপথে বুঝি পথ হারায়,

বাঁকা পথে আনন্দ খুঁজে পায়।

পথিক তুমি দাঁড়াও কিছু ক্ষণ,

মৌ-মাছি ব্যস্ত করতে মধু আহরণ।

ভ্রমরের গুণ গুণ পলাশের লাল

অন্তর মন গেয়ে চলে মিলনের গান।

ফুলের সুন্দরতা থাকে ততক্ষণ,

যৌবন আছে তার যতক্ষন ।

ফুল তো ঝরবেই সময়ের ডাকে

প্রেমলীলা চলে যৌবনের কোলে।

প্রেমিক প্রেমে মাতে যৌবনের ডাকে

কতো কিছু হারিয়ে যায় যৌবনের ঝরে।

 ভাবনার জাল বুনেচলে সুপ্ত মনে,

হারানো মন কি আর ফিরে আসে।

যৌবন তো ক্ষনিকের অলীক স্বপ্ন,

পাগল করার মোহময় রঙিন গল্প।

ফুরিয়ে যায় উড়ন্ত ফানুষের মতন,

ক্ষনিকের সৌন্দর্য্যে ভুলেজায় মন।

মন তো চায় উড়তে পাখনা ছাড়া

কিছু কথা ছিলো বলার ছন্নছাড়া।

আমি এক ভবঘুরে চিনিনা নিজেরে

ব্যাকুল মন যেতে চায় নিজেকে ছেড়ে।

তবুও আঁকড়ে ধরতে চাই তারে,

আসলে মৃত্যুকে দেখেছি বারে বারে।

   <----আদ্যনাথনাথ রায় চৌধুরী--->    

===========================

914>|| স্বখাত সলিল ||

   914>|| স্বখাত সলিল ||

              <--আদ্যনাথ-->

 লংঘেছি কতো নদী নালা শৃঙ্গ,

  এখন থেমেছি মোহনায়,

 পাইনি খুঁজে কোনদিন তল,

 স্মৃতির সেই আসমুদ্র হিমাচল।


মনেবলছিল চিরকাল,

অচল হবেনা বৃদ্ধ কাল,

মনবল এখনো আছে তুঙ্গে,

পরিবেশ বাঁধ সেধেছে নিয়তির সঙ্গে।


চিলের ডানা হয়েছে ভারী

ঠোঁট নখ গুলি অকেজো হয়েছে আজি

বাঁচার তীব্র লড়াইয়ে জীবন ধরেছে বাজি

বহু যাতনা তীব্র মনোবল ফিরে পেতে নুতন জীবন খানি।


মরণ রোগ বেঁধেছে বাসা দেহে

অনেক আশা বুঝি বিনাশ হয়ে গেছে।

খুঁজে মরি আকাশ পাতাল 

বুঝেও দুষি সময়ের কাল।


চলছে চলুক নদীর ধারা,

যতদিন পাবে জলের প্রবাহ ধরা।

বয়ে চলুক আপন গতিতে 

মনের আকাঙ্খা সঙ্গমে মিলিতে।


নহি অসহায়, কিন্তু ক্লান্ত সন্তপ্ত বিধ্বস্ত 

রাখিনি কোনদিন সময়ের হিসাব।

হেসে খেলে চলছে জীবন,

কে রাখে কার মনের হিসাব।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরীর-->

==========================


Thursday, April 28, 2022

913>|| হতে পারিনি বাগানের মালি ||

     913>|| হতে পারিনি বাগানের মালি  ||

                 <---আদ্যনাথ-->

নুতন ভাবনার পাল তোলে মন,

খোঁজে চারিদিক কেআছে আপন।

কত আশা কত ভালোবাসা

প্রভাতের রক্তিম কিরন মাখা।

বারান্দায় বসে দেখি পথিক কতো

ব্যস্ত যেন খরস্রোতা নদীর মতো।

অনেক স্বপ্ন ছিলো লুকানো মনে

এখনো বসে আছি জানালা খুলে।

ফুল যে বরো ভালো বাসি,

কিন্তু হতে পারিনি বাগানের মালি।

মনেহয় প্রকৃতি নিজেই প্রেমের ডালি,

আনন্দ পূর্ন হৃদয়ে মন এখনো খালি।

অনেক অপেক্ষার অবসান,

হলোনা মধুরেণু সমাপয়েত!

ছিলো অনেক ভাবনার সুখ-স্বপ্ন

আজ হারিয়ে গেছে সকল গল্প।

মনেহয় ভাবনা গুলি ছিল অলীক,

তাই বুঝি ধরে রাখতে পারিনি ঠিক।

কতো ভাবনা কতো গল্প বলা,

তবুও অনেক কিছুই হয়নি বলা।

হতে পারিনি ফুলের মালি,

অঙ্কুরেই রয়েগেল ভাবনার কলি।

কীহবে প্রলাপ বকে একলা বসে,

সেকি আর ফিরবে যে চলে গেছে।

   <----আদ্যনাথনাথ রায় চৌধুরী--->    

====================

Wednesday, April 20, 2022

912>|| একটু হলেও ভাবি। ||

      912>|| একটু হলেও ভাবি।  ||

              <--আদ্যনাথ-->

হারিয়ে গেছে সবটুকু,

হারিয়ে গেছে সেই ভাবনা টুকু।

হারিয়ে গেছে অনেক কিছু,

হারিয়ে গেছে সবকিছু।

জানি ফিরে পাবনা আর কিছু,

হারানো স্বপ্নে মিশে গেছে সবকিছু।

আমার আমার করেই বার বার,

সত্তর পারকরেও মাঝি বাইছে দাঁড়।

আজ নাই নদীতে জল নাই খাল,

শুধুই বালুময় ধূ-ধু মরীচিকার ছল।

পাইনি কোন ডাঙ্গা পার,

চারিদিকে শুধুই হাহাকার।

আজ বুঝলাম স্বপ্নের জীবন তরী,

আশার হাঁহাঁকারে ভরেছে খালি।

তাইতো এখনো আছি,

আজও বসে আছি।

অনেক আদরে ধরে আছি,

সম্বল মাত্র ভাবনার দড়ি কাছি।


জানিনা কখন ছিঁড়ে যাবে,

পাল ছিঁড়ে ভেসে যাবে।

বিশালের মাঝে হারিয়ে যাবে,

হয়তো গভীরে তলিয়ে যাবে।

তবুও আশায় বুকেবেঁধে আছি,

আলগা না-হয়েজায় হাতের কাছি।

দিনের শেষে সূর্য্য গেল অস্তাচলে,

ভাবনা গুলো ভাবিয়ে চলে।

আকাশের তারা গোনার ছলে,

সন্ধ্যারপরে রাতের সন্ধকার নামে।

সবকিছুই আজ হারিয়ে গেছে,

মনের ব্যথাগুলো শুঁকিয়ে গেছে।

চোখের জল কখনযেন হারিয়ে গেছে,

নিজের লজ্জা লুকাই নিজের কাছে।

সকলেইতো আছে দূরে কাছে,

ভাবনা,কেউ যদি কিছু ভাবে।

বিশালের মাঝে হারিয়ে যাবে,

জানিনা কখন কাছি ছিঁড়ে যাবে।

         তবু এখনও আছি,

        একটু হলেও ভাবি।

   <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================






911>|| সুন্দর জীবনের খোঁজে ||

   911>|| সুন্দর জীবনের খোঁজে ||

                 <--আদ্যনাথ-->

জীবনের পথ সর্বদা আলো ছায়া,

আর সেই পথেই এগিয়ে চলা,

সত্যকে খুঁজে পাওয়াই সার্থক জীবন,

 আত্মবিশ্বাসে এগিয়ে চলাই জীবন।

জীবন শিক্ষা দেয় নিত্য নুতন,

নুতন কে করেনিতে হয় আপন।

এভাবেই গড়ে ওঠে সুন্দর জীবন।

আর জীবনকে সুন্দর করতে

কিছু হয় ঝেড়ে ফেলতে।

শরীর থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয় মেদ,

মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয় জেদ,

মন থেকে ঝেড়ে ফেলতে হয় ভেদা-ভেদ।

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

============================





Tuesday, April 19, 2022

910>|| একদিন হঠাৎ ||

         910>|| একদিন হঠাৎ ||

                   <--আদ্যনাথ-->

সেদিন সন্ধ্যায় বাড়ির ছাদে ইজিচেয়ারে বসে আছি একলা। চারিদিগের পরিবেশ বেশ শান্ত ও চুপ চাপ। মাঝে মাঝে মেট্রো ট্রেন ও লোকাল ট্রেন গুলি হর্ন বাজিয়ে নীরবতা ভঙ্গ করে দেয়।

বর্ষার সময় রেল লাইনে একটু ফাটল দেখা দেওয়ার সেই থেকে এখন মেট্রো ট্রেন গুলি খুব ধীরে যাতায়াত করছে।

বেশ শান্ত ও নিরিবিলি সন্ধ্যা।

আমার বাড়ির দক্ষিণ ও পূর্ব দিক বিস্তীর্ণ অঞ্চল তেমন লোকালয় না থাকার কারণে সারাবৎসর বেশ ঠান্ডা হওয়া পাওয়া যায়।  

সেই কারণে সন্ধ্যার পরে আমি ছাদে পায়চারী করতে ও আরাম কেদাড়ায় বসে একটু স্বস্তি পাই। বাড়িতে থাকলে সন্ধ্যা বেলা থেকে রাত্রি নয়টা পর্যন্ত আমার ছাদেই থাকতে ভালো লাগে।

আর শীতকালে সারাটা দুপুরেই ছাদে বসে হেটে সময় কাটাই।


প্রতিদিনের মতন সেদিনও সন্ধেবেলায় আমি ছাদে আরাম কেদাড়ায় বসে ছিলাম,

 ঝিলের ঠান্ডা দক্ষিণা হওয়ায় দুচোখ বুঝে আসছিল।

এমন সুন্দর ঠান্ডা হাওয়ায় বেশ একটু ঘুমের আবেশে  চুপ চাপ বসে আছি।

হঠাৎ একঝলক বেশ ঠান্ডা হওয়ায় শরীরটা একটু কেঁপে উঠতেই মনে হলো কেউজেন খানিকটা বরফ ছুড়ে মারলো,

চোখ খুলে গেল , আর তখনই মনেহল আমার সামনে কেউ যেন দাঁড়িয়ে, অবিকল আমার মতন দেখতে।

বেশ একটু ঘাবড়ে গিয়ে শিরদাঁড়া সোজা করে বসে  আগন্তুককে জিজ্ঞাসা  করলামজ কে কে আপনি?

আগন্তুক একটু মুচকি হেসে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলো।

আমি ভাবছিলাম যেন আমি নিজে কোন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে।

কিন্তু আগন্তুক তো দাঁড়িয়ে আর আমি ইজিচেয়ারে বসে।

একটু আরাম করে বসে ছিলাম, হঠাৎ এমন ঘটনায় শিরদাঁড়া সোজা করে বসে দেখছিলাম আগন্তুককে। দেখছিলাম ওনার মুখে সুন্দর মিষ্টি হাসি।

আমি অবাক বিস্ময়ে আবার জিজ্ঞাসা করলাম কে, কে আপনি!

কিন্তু কোন উত্তর পেলাম না।

আর ঠিক তখনি রিও এসে বললো 'দাদু আমার সাইকেল টা বারকরে দেও,আমি সাইকেল চালাবো।'

 

আমার চমক ভেঙে যেতেই  আমার নাতির  সাইকেল টা বারকরে দিয়ে  ভাবতে লাগলাম ব্যাপারটা কি হল।

হঠাৎ করে লোকটা এলো কোথা থেকে আবার কোথায় চলে গেল!

নাকি সবটাই আমার মনের ভুল।

নাকি আচ্ছন্ন নিদ্রায় সন্ধেবেলায়  কোন স্বপ্ন দেখছিলাম।

সেদিনের পরথেকে রোজই ছাদে বসে অপেক্ষা করি সেই আগন্তুকের।

ভাবনাটা কেমন যেন মনে বসেগেছে, কিছুতেই ভুলতে পারছি না।

এমনি করে অপেক্ষায় কেটে গেল অনেক দিন।

কিন্তু তেমন কোন ঘটনাই আর ঘটলো না।

আমিও ভাবতে লাগলাম সেদিন ওটা নিতান্ত আমার মনের ভুল ছিল, আর সেই কারণেই ব্যাপারটা নিয়ে আর কোন ভাবনা চিন্তা করা বন্ধ করে ব্যাপারটা ভুলেই গিয়েছিলাম।

এর পরে কেটে গেল বহুদিন।

আমি বাড়িতে থাকলেই সন্ধ্যায় নিয়মকরে হাটতাম ছাদে।

বাড়ি থাকলেই হাটতাম এমন কথা বলার একটাই কারন যে আমি বেশিরভাগ দিন তেঘড়িয়ায় মেয়ের বাড়িতে থাকি।

মাঝে মাঝে বাড়িতে আসি। আর বাড়িতে আসলেই নিয়ম করে ছাদে হাটা হাটি করি।

এমনি করেই বেশ কিছুদিন পার হয়েছে।

আর সেদিনও আমি বসে আছি একলা, মাঝে মাঝে একটু পদায়চারী করছি, 

আবার বসছি। হাঁটছি আমার  মেয়ের কিনে দেওয়া ওয়াক ওয়াচ টা হাতে পরে।

রোজ মাপতে হয় কতটা হাটলাম।

মোবাইলের ব্লুটুথ যোগ করা আছে।

তাই মোবাইল থেকে দেখে নি কতটা হাটলাম কতো ক্যালোরি বার্ন হলো,

ইত্যাদি।

সেদিন বেশ আনমনা হয়েই পায়চারী করছি হঠাৎ পিঠে একঝলক  ঠান্ডা হওয়া অনুভব করতেই পেছন ফিরে তাকাতেই দেখলাম  সেই সেদিনের মতন যেন আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার সমনে আর মুখে সেই মুচকি হাসিটি ঠিক আছে।

আজ কিন্তু একটু বেশ ঘাবড়ে গিয়ে কিছু বলতে চেষ্টা করলাম কিন্তু মুখদিয়ে কোন আওয়াজই বার হলো না।

এবার মনে হচ্ছিলো কপালে একটু একটু ঘাম জমছিল, সঙ্গে কোন রুমাল ছিলোনা তাই হাতদিয়েই ঘাম মোছার চেষ্টা কোরতেই আগন্তুক বলে উঠলো " কি ঘাবড়ে যাচ্ছ কেন, কি নিজেকে চিনতে পারছো না? আমি তো তোমারই আত্মা। অশরীরী হয়ে আসলে বা অন্য কোন শরীরে ভর করে আসলে হয়তো ভয় পেতে, জানি তুমি ভয় পাওনা, অনেক অশরীরী আত্মার সাথে বহুবার তোমার কথা হয়েছে, সে তো বহু দিনের কথা, আজ আমি এসেছি তোমার কথা শুনতে নয় , তোমাকে কিছু বলতে।

আমি মনে মনে একটু সাহস জুগিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম , কি এমন কথা জানতে এমন ভাবে আমার সন্মুখে?

আমি কথা গুলি বলে ভাবতে লাগলাম সত্যিকি আমি কিছু বলতে পারলাম, নাকি শুধু মনে মনে ভাবলাম । কিছূই বুঝে উঠতে পারলাম না।

আগন্তুক সেই আগের মতন একটু মুচকি হেসে বললো "আজ তোমাকে কিছু বলতে হবে না। আজ তুমি শুধু শুনে যাও আর বলো তুমি কেন বার বার নিজের মৃত্যুর চিন্তা করো? মৃত্যুর কথা লেখ?

তুমিকি জানো,  মৃত্যুর পরে জীবের অশরীরী শরীরটিকে কতো কষ্ট সহ্য করতে হয়! 

মৃত্যুতেই সব শেষ হয়ে জায়না,

মৃত্যুর পরেও চলতে থাকে প্রকৃতির নানান বিবর্তন যাকে তোমরা বলো যমালয়ে যমের বিচার। মৃত্যুর পরে আবার নুতন জীবন না পাওয়া পর্যন্ত অশরীরী শরীরটিকে সইতে হয়  অবিরাম অবর্ণনীয় দুঃখ, কষ্ট, নানা প্রকার নির্যাতন।

যে কষ্টের কথা জানলে কোন মানুষই সুস্থ থাকতে পারবে না। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে সকলকে তো একদিন না একদিন মরতে 

হবেই।

জেনে রাখ বেঁচে থাকাই সুখের, আনন্দের,

যত ইচ্ছা সুখ ভোগ করে নেও জীবন থাকতে।

মৃত্যু পরে চলতে থাকে প্রকৃতির অসহনিয় ভীষণ কষ্ট দায়ক না না বিবর্তনের জ্বালা

যন্ত্রনা।

এক মাত্র শুদ্ধ আত্মার শুদ্ধ শরীরের মুক্তি হয়। তাকে আর জন্ম মৃত্যুর চক্র ভোগ করতে হয় না। তাকে আর কোন শরীরে ঠাঁই নিতে হয়না। সে মুক্ত।

শুদ্ধ আত্মার শুদ্ধ শক্তি প্রকৃতির শক্তির সাথে মিলে যায়।সেই শক্তির রূপান্তর হয়।

আর বাকি সকলকে আবার ভোগ করতে হয় নুতন যোনিতে নুতন শরীরে।"


এতক্ষন আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম একদৃষ্টি তে চেয়ে।

এবার যেন ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে গেল।

আমি সন্ধ্যার আকাশে তাকিয়ে রইলাম অবাক বিস্ময়ে।

এমন ঘটনার কারন বুজতে আমার সময় লাগলো না, বুঝতে পারলাম আমি যে

লিখেছিলাম আমার মৃত্যু নিয়ে কিছু কথা।

আর সেই কারণেই এমন ঘটনা।

বুঝলাম এমনিকরেই চলে জীবনের খেলা।

বেঁচে থাকাটাই আনন্দের সুখের।

মৃত্যুই অন্ধকার বড় নৃশংস,ক্রূর, নিষ্ঠুর, ভয়ঙ্কর কঠিন হাহা কার,

যেখানে নাই কোন প্রতিকার,

আছে শুধু ভয়ঙ্কর হাহা কার।

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

===========================


 

909>|| মৃত্যুর জ্বালা ||

 


        909>|| মৃত্যুর জ্বালা ||

                         <---আদ্যনাথ--->

ভাবলাম এবার পেলাম মুক্তি,কিন্তু 

কোথায় মুক্তি ?

যমদূতেরা সবে মিলে করছে যুক্তি।

দিতেহবে  হিসাব প্রতি-দিন-ক্ষণের,

নিস্তার নাই যমরাজের শাসনে।

বুঝলাম এখনো অনেক আছে বাকি,

এবার কেমনে কাকে দেব ফাঁকি।


জড়িয়ে ছিলাম সংসার জালে,

হঠাৎ নিয়ে গেল মৃত্যু এসে।

যমদুতদের এতো টানা টানি,

চিত্রগুপ্ত বার বার দেখছে খাতা খানি।

এবার শুরু হবে যমরাজের বিচার,

মনে হয় যমালয় যেন বিচারের বাজার।


দেখছি যমালয় লোকে লোকারণ্য,

আর চারিদিকে শুধু লাশে পরিপূর্ণ।

পশু,পাখি,মানুষ সকলের হবে বিচার,

মৃত্যুর পরে সকলি যমরাজের অধিকার।

যমালয় বিচারাধীন অশরীরীদের হাট,

যমালয়ে সর্বত্র যমরাজের ঠাট বাট।


জীবনের অনেক স্বাদ রয়েগেছে অপূর্ণ।

সকল আশাই হয়েগেল চূর্ণ বিচূর্ণ।

বুঝতে পারিনি হঠাৎ কি করে কি হলো,

কিছু বোঝার আগেই যমদূত লিয়ে গেল।

চাহিদা মেটাতে সংসারের বেরা জালে,

রাখিনি খামতি তবুও মরেছি জ্বলে।


মনের গোপনে ছিল অনেক আশা,

চেয়েছিলাম একটু ভসলবাসা।

যা পেলে হয়তো হৃদয় পূর্নহোত,

থাকতোনা কোন ব্যাধি জ্বালা।

যা চাওয়া যায় সেটা পাওয়াই কঠিন,

আজ বুঝলাম জীবন নিয়তির অধীন।


মৃত্যুতে এতো জ্বালা,জ্বলে পুড়ে মড়া,

শরীর নাই তবুও কর্ম ফলের বিচার করা।

জীবন থাকতে বোঝা যায়না মৃত্যুর জ্বালা,

মৃত্যুর পরেও চলে যমরাজের খেলা।

তারপরে চিন্তা আবার কোথা হবে ঠাঁই!

স্বর্গ,মর্ত,নাকি নরকেই পাবো ঠাঁই?

   <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================

Monday, April 18, 2022

907>|| অন্তিম যাত্রা ||

 907>|| অন্তিম যাত্রা ||

                       <---আদ্যনাথ--->

সকলের মুখে একই বোল,

বোল-হরি-হরি-বোল,

ঐ একটি নামের বোল,

বোল-হরি-হরি-বোল-হরি-বোল।

এতগুলো বছর মেটাতে পেটের জ্বালা, 

নানান চাহিদায় হয়েছি ফালা ফালা।

আজ হঠাৎ যমরাজ ও তার চেলা,

এনেছে আমায় মেটাতে তাঁদের পালা।

করছে হম্বি তম্ভী ভয়ঙ্কর যমদূত সকল,

জানলাম বুঝলাম যমালয়ের গেঁরাকল।

এখানে চলেনা ঘুষ পৃথিবীর মতন,

যমালয়ে চলে যমরাজের শাসন।  

অনেক চাহিদা অনেক আশা ছিলো,

দুঃখ গুলি একান্ত ব্যক্তিগত ছিলো।

তাইতো আজ লাগে বড় ভালো,

মৃত্যু তেই সকল সত্য উপলব্ধি হল।

মৃত্যই চিরন্তন চির সত্য,

মৃত্যুই পুনর্জন্মের একান্ত শর্ত।

মানুষের অসম্ভব অসাধ্য কিছুই নয়,

একমাত্র মৃত্যুকে উপেক্ষা করাই সম্ভব নয়।

চারজনের কাঁধে চড়ে শ্মশান যাত্রা,

হরি বোল বলে বাড়ায় উল্লাসের মাত্রা।

অন্তিমে আগুনেই শুরু ঐহিক যাত্রা,

সাঙ্গ হোল আমার অন্তিম যাত্রা ।

     <---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

======================

906>|| মৃত্যু শয্যা ||

           906>|| মৃত্যু শয্যা ||

                        <--আদ্যনাথ-->

মনেহয় যেন আছি গভীর ঘুমে,

বাঁশের মাচায় শায়িত আঙ্গনে।

আপাদমস্তক ঢেকে রাখা আছে,

যত্নে এক ফালি সাদা কাপড়ে।

উপরে সাজানো সাদা ফুল ও মালা,

ফুলওঅগরুর গন্ধে মোহময় সন্ধ্যাবেলা।

নিকটেই ছিলাম বসে অনড়,

যে শরীরে ছিলাম এতোগুলি বছর।

ফুল ও মালায় সাজিয়ে রেখেছে যত্নে,

এতো আদর যত্ন দেখিনাই আগে।

ঐযে স্ত্রী,সন্তানেরা এখনো কাঁদছে,

কতো মানুষ অঙ্গনে জড়ো হয়েছে।

ভালোকরে বেঁধে নিচ্ছে লাশটা,

বাঁশের মাচার সাথে চারি পাশটা।

কিজানি চলছে এ কেমন খেলা,

ঘরে যেন আজ বসেছে মেলা।


এতো মানুষের এমন ভালোবাসা,

আগে দেখিনি,পাইনি কখনো।

মনে এই টুকুই-তো ছিল আশা,

আজ সকলেই আছে কাছে,

শরীরটা ছেড়ে আমি একলা দূরে বসে।

কত কাজ ছিল,

আজ হঠাৎ সব থেমে গেল।

কেউ কেউ তারাদিলো,

আর দেরি না করে জলদী করো।

তাই এবার চারজনে মিলে,

বোল-হরি-বলে,নিল কাঁধে  তুলে,

বোল-হরি,হরি-বোল-বলে,

সকলেরই বোধহয় দুঃখী মন,

হয়তো কারুর অশ্রুপূর্ণ নয়ন।

সকলের মুখে একই বোল,

বলো-হরি-হরি-বোল।


বুঝলাম এই চির বিদায়ের বোল,

সব চাওয়া পাওয়া,বেদনার শেষ বোল।

আপন কি পর, নেই অবসর,

সকলের মুখে সেই একই বোল।

ঢুকিয়ে দিলো ইলেকট্রিক চুল্লিতে,

ভীষণ সেই আগুনের চেম্বারে।

নিমেষে শরীরটা গেল ঝলসে,

আমি অসহায় দর্শকের বেশে,

বোধ করছিনা কোন জ্বালা যন্ত্রনা,

শুধু বুঝলাম আমি আছি শরীর ছাড়া।

যে ছিল একান্ত আদরের,

সেই কান্নায় ভাবুক হয়ে,

প্রথমে আগুন দিয়েছিল মুখে।

ছিল শরীর একটা, 

নামও ছিল একটা,

আজ বুঝি মুছে গেল সবটা।

    <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

======================


905> || চলেগেল মৃদুল দা ||

  905> || চলেগেল মৃদুল দা || 

প্রিয়জন চলেজায় নীরবে

ব্যাথা রেখেজায় ধীরে আড়ালে।

আপনজনের অসুস্থতার ভাবনায় মন যখন ভাবে,

হঠাৎই খবর পাই তার চির বিদায়ের।

বড় আপন ও প্রিয় ছিলেন মৃদুল দা

আমাদের আশা ভরসার মৃদুল দা।

শিক্ষাপ্রসার ও জনকল্যাণ সংসদ।"

আবার একবার অভিভাবক শূন্য হল।

আমরাও হারালাম আমাদের আদরের দাদা ও অভিভাবককে।

আমাদের আদরের মৃদুল দা, 

আমাদের ছেড়ে, ইহলোকের মায়া জাল ছেড়ে চলেগেল। চলেগেল পুরানো ঠিকানা ছেড়ে নুতন ঠিকানায়, মঙ্গলময় ঈশ্বরের চরণ তলে 10ই এপ্রিল 2022।

আজ 10 এপ্রিল 2022  রাম নবমীর

শুভ লগ্নে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের নবম দিনে বসন্তের নবরাত্রি রাম নবমী।

বাসন্তিপূজার নবরাত্রির শুভ ক্ষণে

 একনিষ্ঠ সমাজ সেবক ও  মহা পুণ্যবান

আমাদের আদরের মৃদুল দা ( মৃদুল কান্তি দাম) চলে গেলেন নিজ ধামে, ঈশ্বরের চরণ তলে।



Mridul Kanti Dam 

General Secretary of

"Shiksha Prasar O Janakalayan Samsad."

এমন দুঃসংবাদ লিখতেও হাত কাঁপছে।

মৃদুল দার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করি।

     <--আদ্যনাথ রায়  চৌধুরী-->

===========================

 

   A sad news-------

   10th April 2022

To day Mridul da, left this world and

Went on the path of eternity.-----

Because of such bad news I am Extremely shocked.

Our respected   Mridul Kanti Dam, 

General Secretary of

"Shiksha Prasar O Janakalayan Samsad."  

He is no more with us today.


========================

   || অঘটন ঘটেজায় হঠাৎ ||


হঠাৎ হঠাৎ এমন অঘটন ঘটেজায়

যার বেদনা জীবন ভর বয়ে চলতে হয়।

চলে গেলেন আমাদের মৃদুল দা (মৃদুল চন্দ্র দাম, সাধারণ সম্পাদক,

শিক্ষাপ্রসার ও জনকল্যাণ সংসদ)  

হৃদয়ে রয়েগেল বেদনার গভীর দাগ।

কি করে ভুলবো ওনার নাথাকার বেদনা

বার বার চেষ্টা করেও বুঝতে পারছি না।

সংগঠনের কি হবে,কি করে চলবে,

কত দুস্থ শিশু ওনার পথ চেয়ে থাকে বসে,

তাদের চাহিদা পূরণ হবে কি ভাবে?

আমরা তো এক একটি পদ ধরে বসে আছি।

কোন কাজেই কোনদিন হাত বাড়াই নি,

মৃদল দা ই নিজেকে উজাড় করে দিতেন,

ওনার শূন্য স্থান অপূর্নই রয়ে যাবে।

আমরা একটু শোক প্রকাশ করেই বাহবা লুটবো,

কিন্তু কিহবে ওই ভবিষ্যতের শিক্ষার্থী  দের,

হয়তো ওরা সহায়তা পাবে কারুর একটু

সৌজন্যে,

কিন্তু আপন করে নেবার মতন কাউকে কি পাবে!

জানি শিক্ষার প্রসার হয়তোবা হবে,

কিন্তু সেই একান্ত হৃদয় দিয়ে জনকল্যাণ কি হবে?

এই টুকুই আজ আমাদের  ভাবতে হবে।

   আমাকে দিন রাত ভাবাচ্ছে।

     <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

             11ই এপ্রিল 2022

========================≠




Thursday, March 24, 2022

904>/1>||--होली--2022(1 to 6)

 

904>/1>||--होली--2022---||

 2>||--होलीकी दहन--|| 

 3>||--होली मुबारक- 2022--||

 4>|| आज होली ||2022

 5> ||  HOLI  IS HOLY

 6>||  2022 की होली ||

=====================           

  1>||--होली--2022---||

              <---आद्यनाथ--->


होली आईरे, होलीमें खेले रंग,

पिचकारी और गुलाल के संग।

होली एक महोत्सब मिलनेके,

खेले प्रेमरूपी रंगीन गुलालसे।


होली के त्येहार प्रेम निबेदन के लिये,

बिशेष अपना प्रेमिका के लिये।

अपरूप शोभा मण्डित चंचल मन,

गुलाल रंजीत मधुर नब जौबन।


होलीके त्यौहार पर रंगों के बाहार,

प्रेम पिपाषित मन मे लाय बाहर।

होली के मनमोहन प्रदर्शन,

रँगोंसे सिक्त प्रस्फुटित जौबन।


पिपासित हृदय में मिलन प्रेमीकाके संग,

रँगोंसे भरदेते हैं तन्वी तनिमा के अंग।

प्रेमिक करे समर्पण प्रेमिकाके कोमल हृदय में,

होली वर्षकी प्रतीक्षा मिलन की चाहत में।


-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,

             ------मेरा नमष्कार-------

             <---आद्यनाथ राय चौधुरी--->

||========================



       2>||--होलीकी दहन--|| 

                  <----आद्यनाथ--->

फाल्गुन पूर्णिमा की शुभ अवसर पर,

उल्लसित मन  'होलीकी दहन' करने पर,-------

होली त्योहारकी हर्षित बेला पर,

मन मे खुशियां मिले अपार,

शुद्ध हृदय में यश,कीर्ति, सम्मान मिले,

और साथ मे बढे सत्कार |


हार्दिक शुभ रहे हर दिन हर पल,

शुभ निरंकुश, निर्मल रहे विचार |

उत्साह,आनन्द बढे  चित चेतन में,

निर्मल स्वच्छ  उदार रहे आचार,

सफलतायें निश्चित मिले,

गुरु जनके बधाई मिले बारम्बार।


      मंगलमय हो जीबन 

सदा सुखी रहे  आपका पूरा परिवार,

होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,

             ------मेरा नमष्कार-------

           <---आद्यनाथ राय चौधुरी --->

============================



  3>||--होली मुबारक- 2022--||

             <---आद्यनाथ--->

मुबारक, मुबारक हैं आप सभीको,

होली के त्योहार पर सभीको,

अभी आई होली

2022 की होली।

गोकुल की मलाई और दुग्ध,

बृन्दाबन की प्रेम और खुश्बू,

राधा की एकान्त तपस्या,

श्रीकृष्ण का मधुर उदारता,

राधा कृष्ण की मनमोहन जुगल जोड़ी  मूर्ति,

बरसाते हैं निः स्वर्थ प्यार,

करते हैं सबके मनवासनाकी पूर्ति।

साथमे याद रखना,

बरसाने की लाठ मार होली।

यह सभी प्यार मिलकर बनते हैं होली।

याद रखना प्यार की त्योहार हैं होली।


-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,

             ------मेरा नमष्कार-------

       <--आद्यनाथ राय चौधुरी --->

======================


     4>|| आज होली ||2022

             <---आद्यनाथ--->


 आज होली की आनंदके साथ,

 आप सबको खुशियां मिले अपार ।

यश,कीर्ति, सम्मान आंनद और मिले प्यार,

 साथ में  बढे सत्कार ।

शुभ रहे हर दिन हर पल,

शुभ रहे आपको विचार ।

उत्साह, आनन्द  बढे  चित चेतन में,

निर्मल रहे आपका सोच और  आचार।

सफलतायें मिले अपार,

बधाई आपको  बारम्बार।

मंगलमय हो आजके होली त्योहार,

सुखी रहे आपका सारे परिवार।


 -----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,

             ------मेरा नमष्कार-------    

       <---आद्यनाथ राय चौधुरी --->

||=========================||


  5> ||  HOLI  IS HOLY

       EVER HOLLY

 THE FESTIVAL OF COLOUR

             AND JOY.

----------21/03/2019---------------------

Hope all your Misdeed,

       Demerits,Sorrows

             and Evils

            Get burn in

     "HOLIKA DEHAN"

          and Fulfils

your and yours family life with beautiful colours of Happiness,

Success and prosperity.

      ||----anrc--2022---------||

||=======================||



 6>||  2022 की होली ||

               <----आद्यनाथ--->

फाल्गुन पूर्णिमा की शुभ अवसर पर,

होली त्योहारकी हर्षित बेला पर,

मन मे खुशियां रखे अपार |

उत्साह,आनन्द रहे भरपूर मनमें,

निर्मल स्वच्छ प्रेम रहे हृदयमे,

शुभ चिंतन रहे हर दिन हर पल,

शुभ निरंकुश, निर्मल रहे विचार |


गोकुल का मनमोहिनी दुग्ध,

बृन्दाबन की हृदय हरण खुश्बू,

राधा की एकनिष्ठ तपस्या,

श्रीकृष्ण का विश्वमोहिनी उदारता,

राधा कृष्ण की मनमोहिनी जुगल किशोर मूर्ति,

बरसाते हैं निः स्वर्थ प्यार,

साथमे सदाहीं याद आते हैं

बरसाने की लाठ मार होली।

यह सभी प्यार मिलकर बनते हैं होली।

याद रखना प्यार की त्योहार हैं होली।


सफलतायें निश्चित मिले,

सबके बधाई मिले अपार |

मंगलमय हो जीबन आपके,

सदा सुखी रहे आपका पूरा परिवार ||


-----होली की हार्दिक शुभकामनाएं के साथ,

------मेरा नमष्कार-------

          मुबारक हैं आप सभीको

           होली के त्योहार पर।

      <----आद्यनाथ राय चौधुरी--->

===========================




Wednesday, March 23, 2022

903>/1>||-প্রথম বসন্ত -||-2022(1to4)

   903>/ 1> ||-প্রথম বসন্ত -|| 2022

                2||  ফাল্গুনের আগুন ||202     

              3> ||-অভিলাষী হোলি -||2022

             4>||প্রেমের হোলি ||2022

============================

 

       1> ||-প্রথম বসন্ত -|| 2022

             <------আদ্যনাথ--->

করোনার প্রদাহে,মন অশান্ত,

আবার হারায় বুঝি প্রেমের বসন্ত।

ব্যাকুল হৃদয় অশান্ত মন,

উদাসী মন প্রেমের স্বপ্ন সর্বক্ষণ।


বহুদিন পরে এই বসন্ত যেন নুতন লাগে,

স্বপ্নমনে অনেক না পাওয়া খুঁজে চলে।

বিরহ মণ শুধু স্বপ্নের জাল বোনে,

স্বপ্নেই নিশিদিন প্রেমের খেলা খেলে।


বসন্তের প্রেম যেন মাদকতার নেশাে,

হৃদয়ে প্রেমের ছোঁয়ার লাজুক নেশা।

শূন্য হৃদয় বসে একলা প্রমাদ গোনে,

প্রিয়া আসবে বলে অপেক্ষায় দিন গোনে।


ফুলের সৌরভে, মধুকর মধুর লোভে,

ফুলে ফুলে নেচেবেড়ায় পরাগ মেখে।

মহুয়ার গন্ধে ভালুক ছুটে আসে,

মধু আর মহুয়ার নেশায় মাতে।


প্রেমের আবেগে নয়ন কাজল চিক্কন,

প্রথম প্রেমের স্পরশ লাগি পুলকিত মন।

ওষ্ঠে ভরিয়া তৃষিত প্রেমের চুম্বন,

অঙ্গে অঙ্গে শিরায় শিরায় জাগে শিহরন।


বসন্তের আগমনে প্রেমের প্রকাশ,

নাকি প্রেমের জৌলুসে বসন্তের প্রকাশ।

বসন্তের জোৎস্না রাতে প্রেমের মিলন,

রাঙিয়ে দিতে চায় প্রেমাস্পদের মণ।


প্রকৃতি খেলাকরে বসন্তের বাতাসে,

তার উন্মাদনা বৃক্ষ লতা ফল ফুল লয়ে।

প্রকৃতির আনন্দ প্রাণী কুল জগৎ লয়ে,

প্রেম সদাই বসন্তের প্রতীক্ষা করে।

     <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

===========================


       




2>||  ফাল্গুনের আগুন ||2022


পলাশবনে যেন লেগেছে আগুন,

অর্ধ কুসুমিত শুভ্র যূথিকা কানন।

যে গোলাপ ফুটবে প্রত্যুষে,

শিশিরের অপেক্ষায় আছে চেয়ে।


ষোড়শীর প্রেমের আহ্বান,

সিক্ত বসনে প্রস্ফুটিত যৌবন।

ব্যাকুল মন প্রেম চুম্বনে

উন্মুক্ত আকৃষ্ট যৌবন আনমনে।


মিলনের তাড়নায় ব্যাকুল মন,

উল্লশীত বসন্তের শিশির সিক্ত কানন।

প্রেম মিলনে প্রথম যৌবনোদয়,

বসন্তের মিলন সুখে আপ্লুত হৃদয়।


নবযৌবনের উন্মত্ত প্ৰেমের ব্যাকুলতা,

উদ্ভাসিত হৃদয়ের আকুলতা।

ফাল্গুনের উত্তাল প্ৰেমের দোল,

বসন্তে মিলনে হৃদয়ে দেয় দোল।


ফাল্গুনে ফুল ফোটা প্রেমের নিমিত্তে,

বসন্তে প্রেম আসে একান্ত নীরবে।

দুটি আকুল মনে মিলনের সুখস্মৃতি,

হৃদয়ের আহবান মিলনের স্বীকৃতি।

         <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

=========================

3>||-অভিলাষী হোলি -||2022

               <----আদ্যনাথ--->

  হোলি  হোলি   হোলি

রঙ মাখা মাখির দিন গুলি।

বসন্তে  ফুলের সৌরভ মাখা দিগন্ত,

সদাব্যস্ত মৌমাছির মনেও আনন্দ।

    

বসন্তের অপূর্ব ফুলের বাহার,

পলাশের ডালে ফুলের কিবাহার।

ভ্রমর ভ্রমরী ধায় মিলনের গন্ধে,

মৌমাছি মেতেছে নুতন মধুর গন্ধে।


আমের মুকুলে প্রজাপতির বাহার।

গাছে গাছে ফুলের সৌরভ বসন্ত বাহার।

ঋতুরাজ বসন্ত নিতান্ত স্নিগ্ধ শান্ত,

যৌবন অধীর নয়নে আগ্রহ শ্রান্ত।


বসন্তের স্নিগ্ধ শীতল প্রেমের বাহার,

প্রেমিক প্রেমিকার মনে প্রেমের জোয়ার।

অর্ধ কুসুমিত গোলাপের কুড়ি,

প্রেম নিবেদনের আকর্ষণের চাতুরী।


মিলনের আনন্দে হৃদয় মাতোয়ারা,

প্রেমের  মিলনে আজ প্রকৃতি দিশেহারা।

হোলি নয় স্বপ্ন ভঙ্গের দিন গোণা,

হোলি প্রেমমিলন আকর্ষণের ক্ষণ গোণা।


হোলি এক রঙিন আনন্দ উৎসব বিশেষ,

হোলি এক মিলন উৎসবের মধুর আবেশ।

হোলির রঙ ও প্রেমের মধুর মিলন,

আবিরের গন্ধে, মিলনে আপ্লুত মন।


হোলির নিবেদন রঙের নানা বাহার,

হোলি রাঙিয়ে দেয় মনের ভিতর বাহার।

হোলি এক উৎসব শাসন না মানার দিন,

রঙিন এক উৎসব, প্রেম পরশের দিন।

     <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->

=========================


 4>||প্রেমের হোলি ||2022

                          <--আদ্যনাথ-->

উড়বে আবির আকাশে বাতাসে,

বসন্তের সৌরভ ফুলের রেনুর সঙ্গে।

বসন্তের সৌরভে সুশোভিত কানন,

হোলির প্রেমানন্দে আপ্লুত মন।


কাননে ফুলের শোভা প্রকৃতির অর্ঘ্য,

বসন্তের প্রেম যেন স্বপ্ন পুরীর পরিচর্য।

ভ্রমরেরা আনন্দে গুন গুনিয়ে ওড়ে,

মৌমাছি মধুর লোভে ফুলে ফুলে ঘোরে।

          

আসছে হোলি আসছে হোলি,

প্রেম নিবেদনে আপ্লুত রঙ-কেলি।

রঙ লাগেছে মনে, হৃদয়ের গভীরে,

হৃদয় প্লাবিত আনন্দ হিল্লোলে ভরে।


বসন্তের হাওয়া বইছে ভুবনে,

মনেহয় আগুন লেগেছে পলাশের বনে।

দূর দিগন্তে ফুলের অপরূপ বাহার,

বসন্তের একান্ত মনমাতানো উপহার।


বসন্তে আবির আর রঙের খেলা,

প্রকৃতির আনন্দ ফুলের শোভা।

বনাঞ্চল মুখরিত পাখিদের কাকলি,

বসন্তে ফুল-রেনু গন্ধে মেতেছে অলি।


পাখিরাদের প্রেমের মিলন চঞ্চু চুম্বনে,

যৌবন প্রস্ফুটিত মসলিন সিক্ত বসনে।

মনরম কেলিকুঞ্জে প্রেমিকার সঙ্গে,

বসন্তে প্রথম প্রেমের পরশ একান্তে।


সদ্য প্রস্ফুটিত যৌবনে আবেগের দোল,

পিপাসিত মনে জাগে আবেগ হিল্লোল।

প্রেমে সমর্পণ প্রেমিকার কোমল হৃদয়ে,

স্বপ্ন আবেগের দোল সার্থক মিলনে।


রঙে রঙে যৌবনের বাহার প্রস্ফুটিত,

রঙে ঢংয়ে জর্জরিত কুচযুগ উথলিত।

কিবাহার কিবাহার কুসুমিত তন্বী তনিমা,

রঙে-রঙে ভাসিল কামিনীর ঐশ্বর্য মহিমা।

------<--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী -->------    

||==========================||



Saturday, March 12, 2022

902>|| ভুল-ভুল, ভুলে ভরা ভুল ||

    902>|| ভুল-ভুল, ভুলে ভরা ভুল ||

                  <--আদ্যনাথ-->


ভুল হয় অজান্তে যেকোন মুহূর্তে,

ভুল হয় কখনো স্বভাবে,

ভুল হয় কখনো স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে,

ভুল হয় কখনো ইচ্ছাকৃতভাবে।


ভুলকে শোধরাতে বহু সময় লাগে, 

ভুলের যে ক্ষতি হবার হয়েই যাবে,

তবুও সকল ভুল কি আর শোধরায়,

আর তাই ভুলের মাশুল দিতেই হয়।


হোঁচট খেলে চলার পথে,

পথের পাথরের দোষ হবে।

জলে ডুবে গেলে সাঁতার নাজেনে,

তখন জলেরই দোষ হবে।


কোন কাজে ভুল যদি হয়,

শেষে তবে ভাগ্যর দোষ হয়।

জেনে-না-জেনে করে এতো ভুল,

কেউ স্বীকার করেনা নিজের ভুল।


নিজের ভুল স্বীকার করাটাই বুঝি

মানুষের সম্মানের ব্যাপার হয়।

তাইতো মানুষের বিচিত্র স্বভাব, 

মানুষকে বুঝতে পারাই বড় কঠিন হয়।


প্রতিটি মানুষের স্বভাব আলাদা,

প্রতিটি মানুষের চরিত্র আলাদা,

প্রতিটি মানুষের বুদ্ধি আলাদা,

প্রতিটি মানুষের লড়াই আলাদা।


তথাপি সকলকে নিজের মতন ভাবি,

নিজেকে সদা সর্বদা প্রচ্ছন্ন ভাবি।

যা পাই আরও চাই,আসলটাই যে ভুল

সকলের এক মানসিকতার আশা করাই ভুল।


ভুলে ভরা জগতে কে শোধরাবে ভুল,

কে বলবে কোনটা ঠিক কোনটা ভুল।

ভুলে যার ক্ষতি সে কষ্ট পায়,

ভুলে যার লাভ হয় সে আনন্দ পায়।

      <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================


901>|| আমি আছি ||

      901>|| আমি আছি ||

               <--আদ্যনাথ-->

আমি আছি,

সুন্দর, ভালো আছি

সর্বদা সকলের সাথে আছি,

সারাদিন নিজেকে খুব ভাল রাখি।


এই সমাজ আছে তাইতো আমি আছি,

এই গাছ-পালা আছে তাইতো আমি আছি,

এই পশু-পাখি আছে তাইতো আমি আছি,

এই সকলে আছে তাইতো আমি আছি।


এই যে ক্ষেত খামার ইট পাথর মাটি,

সকল কিছুকে নিয়েই আমি টিকে আছি।

এরা না-থকলে জীবনটাই ফাঁকি,

ঠিক যেন গভীর নরকে বসে আছি।


আজ বুঝেছি যে আমি কত অজ্ঞ,

সকলের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ।

এই গাছ-পালা পশু পাখি যত,

বন্ধু,পরিজন,সকলের কাছেই কৃতজ্ঞ।


এখনো ভালো আছি তাই 

সকলকে কৃতজ্ঞতা টুকু জানাতে চাই।

মনের আনন্দ সকলকে বিলাইতে চাই,

চাই সকলকে আরও কাছে পেতে চাই।


এই সামান্য বার্তা টুকুই দিতে চাই,

সকলের আশীষ কুড়াইতে চাই।

মনে প্রানে সকলকে বিস্বাস করতে চাই,

এই প্রকৃতির মাঝে ভালো থাকতে চাই।

          <--আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->

===========================





Wednesday, March 9, 2022

900> ফাল্গুনের-হোলি + (1-+-3)

 900>(1)ফাল্গুনের-হোলি। ||--1/3

         900/ (2)>||যৌবনের দোল ||--2/3

   900/(3)>|| বসন্তের আগমনে ||--3/3

 |========================


900> (1) || ফাল্গুনের-হোলি  ||

               <---আদ্যনাথ--->

আসন্ন শুভ হোলির পূর্ব ক্ষনে,

সন্দেশ----সুন্দর মনের মানুষের তরে।

আসছে হোলি  ফাল্গুনের হোলি,

সুন্দর হোক আগামী দিন গুলি।


ফাল্গুন মানেই বসন্ত আর ভালোবাসা,

ভালোবাসাকে স্মরণ করিয়ে দিতেই

মনে দোলা দিতে চায় ফাল্গুন,

প্রকৃতিরও আনন্দে গায় গান গুন গুন।


ভ্রমর ভ্রমরী ধায় মিলনের গন্ধে,

মৌমাছি মেতেছে নুতন মধুর গন্ধে।

বসন্তের অপূর্ব নানা ফুলের বাহার,

পলাশের ডালে ডালে কিবাহার কিবাহার।


ফুলের সৌরভই আনন্দ বসন্ত বাহার।

আমের মুকুলে প্রজাপতির বাহার।

ঋতুরাজ বসন্ত নিতান্ত স্নিগ্ধ শান্ত,

যৌবনের অধীর নয়নে আগ্রহ শ্রান্ত।


অর্ধ কুসুমিত গোলাপের কুড়ি,

প্রেম নিবেদনের আকর্ষণের চাতুরী।

বসন্ত আনে মনে প্রেমের বাহার,

প্রেমিক প্রেমিকার মনে প্রেমের জোয়ার।

   <--- আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================


  900/ (2)  || যৌবনের দোল ||

               <---আদ্যনাথ--->

আসছে হোলি আসছে হোলি,

প্রেম নিবেদনে রঙের হেঁয়ালি।

রঙ লাগবে মনে, হৃদয়ের গভীরে,

হৃদয় প্লাবিত আনন্দ হিল্লোলে ভরে।


বসন্তে ফুলের শোভা প্রকৃতির অর্ঘ্য,

প্রেমাবেশের ছোঁয়া স্বপ্ন পুরীর পরিচর্য।

ভ্রমরেরা আনন্দে গুন গুনিয়ে ওড়ে,

মৌমাছি মধুর লোভে ফুলে ফুলে ঘোরে।


হোলিতে  উড়বে আবির বাতাসের সঙ্গে,

হৃদয় আবেগে কেলিকুঞ্জ প্রেমাতুর অঙ্গে।

আবিরের স্নিগ্ধতা মাতাবে মনের নেশা,

হোলি নিহারিবে সিক্ত আবরু দশা।


আজ বসন্তের হাওয়া বইছে ভুবনে,

আগুন লেগেছে যেন পলাশের বনে।

দূর দুরন্তে ফুলের অপরূপ বাহার,

বসন্তের একান্ত আবিষ্ট উপহার।


বসন্তে প্রকৃতি সাজে ফুলের শোভায়,

ফুলের রেনুর গন্ধে অলি সকল ধায়।

মসলিন সিক্ত বসনে প্রস্ফুটিত যৌবন,

পাখিরাও প্রেম মিলনে ব্যস্ত চঞ্চু চুম্বন।


সদ্য প্রস্ফুটিত যৌবনে আবেগের দোল,

প্রেমিকের মনে জাগে আবেগ হিল্লোল।

প্রেম চায় সমর্পণ প্রেমিকার হৃদয়ে,

স্বপ্ন আবেগের দোল সার্থক মিলনে।


রঙে রঙে যৌবনের বাহার প্রস্ফুটিত,

রঙে ঢংয়ে জর্জরিত কুচযুগ উথলিত।

কিবাহার কিবাহার কুসুমিত তন্বী তনিমা,

রঙে রঙে পূর্ন কামিনীর সর্বাঙ্গ মহিমা।

    <--- আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

=========================



  900/(3)    || বসন্তের আগমনে ||

          <--আদ্যনাথ--->24/02/2023

প্রকৃতি মোহময় বসন্তের আগমনে,

আকাশ বাতাস পুলকিত অপরূপ লাবন্যে।

প্রকৃতিও সেজেছে বসন্ত আগমনে,

প্রেয়সী, আমি আপ্লুত তোমার সঙ্গমে।


নয়নে মাখিয়া প্রেমের কাজল চিকন,

ওষ্ঠে ভরিয়া তৃষিত প্রেমের চুম্বন।

অঙ্গে অঙ্গে শিরায় শিরায় জাগে শিহরন,

বসন্তের প্রেম স্পর্শে পুলকিত মন।


শাখা মৃগ প্রেমে মত্ত ফুলের সৌরভে,

সোহাগে আদর আলিঙ্গন একে অন্যকে ।

পশু, কিট পতঙ্গ সকলেই প্রেমে মত্ত,

বসন্তে সকল হৃদয় প্রেমের আবেগে মত্ত।


ঋতুরাজ বসন্ত আসে প্রেমের ডালি লয়ে,

প্রেমিক প্রেমিকা সকলে উল্লসিত হৃদয়ে।

সকল হৃদয় পূর্নআনন্দ বসন্ত সমাগমে,

বনানী উদ্ভাসিত মোহময়স্নিগ্ধ চন্দ্রকিরণে।


পুষ্পবিতানে মকরন্দ-অভিলাষীর ভিড়,

বসন্তের ছোঁয়ায় আজ সকলেই অস্থির।

নির্মল আকাশে ডেকেজায় শঙ্খচিল,

যৌবনে প্রথম বসন্ত অবুঝ অশ্লিল রঙিন।


যৌবন মানেনা বাঁধা প্রকৃতির লীলা ছলে,

প্রেম আসে নীরবে বসন্তের ছলে।

বনানী রঙিন ফুলের রূপসজ্জায়,

প্রেমের প্রথম পরশে শিহরণ লজ্জায়।


কম্পিত হৃদয়ে প্রথম পরশের স্বর্গীয় সুখ,

বারেবারে মনে করিয়ে দেয়  বসন্তের দূত।

দুরু দুরু বুকে অচেনা সেই আদরের গন্ধ,

ঘন ঘন উষ্ণ নিঃশ্বাসের অপরূপ ছন্দ।


মনে আছে সেই লাজুক না বলার ছন্দ,

লাজুক শিহরণে চোখ দুটি ছিল বন্ধ।

ভ্রমরের ফুলেরমধু আহরণের আনন্দ,

মৃদু-মন্দ শীতল বাতাসে পরাগের গন্ধ।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->  ===========================