Tuesday, July 11, 2023

983>|| unspoken ও কিছু কথা =(1--5)

  983>|| unspoken ও কিছু কথা =(1--5)


●1> || unspoken ||

●2> ||   মন কাঁদেনি ||

●3>|| শেষ ঠিকানা ||

●4>|| কি হবে আমার ||

●5>|| দেখেছি মৃত্যু ||

==========================

  1> || unspoken ||

            <----adyanath---->

I am staying with you, for my own sake,  but somewhen I am alarmed and worried myself thinking am I your burden in any way or a Person with very little essential work.


জীবনে কারুর বোঝা হতে চাইনি।

তথাপি বোধহয় বোঝাই হয়েই থাকছি। 

 চিন্তা, মায়া,ও একটু ভালবাসার টানে,

 জড়িয়ে নিলাম নিজেকে মোহ রূপ জালে।

 যে জাল ছিন্ন করা অসম্ভব জানি,

 শিশুর ভালোবাসাকে কেমনে ভুলি।


অনেক তো পেয়েছি, 

 যা-চেয়েছি সবটুকুই পেয়েছি।

জীবন তো দিয়েছে উজাড়করে,

অপূর্ন কিছু নাই ,সময় দিয়েছে মন ভরে।

 এখন শুদু অপেক্ষার দিন গোনা,

 মায়ার বাঁধনে বেঁধেছে এই মনখানা।


শিশুমন সদ্যফোটা ফুলের মতন,

শিশু মনকে করতে হয় আদর যতন।

মানব শিশু সত্যই ঈশ্বরের এক রূপ,

তার ভালোবাসা শ্রেষ্ঠ আনন্দ স্বরূপ।

শিশু মন এক তাল কাদামাটির মতন,

তাকে গড়ে তুলতে, করতে হয় যতন।


এই মন,শরীর চায়নি কারুর বোঝা হতে,

জানি চলে-তো যেতে হবে খালি হাতে।

কিকরে ভুলি পিছুটানের রুজ্জুকে,

অনেক না বলা কথা ভুলতে পারাকে।

মনযে বড়ই নিরালা ভাবনায় কাতর,

ব্যাকুল হৃদয়ে ভুলতেই হবে সকল আদর।

          <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

========================


    2> ||   মন কাঁদেনি ||

                     <---আদ্যনাথ--->

মায়ার সংসারে ভোগসর্বস্ব জীবন,

অলীক সুখের সন্ধানে ধায় সর্বক্ষণ।

বিষয়ভোগে উন্মত্ত চিত্ত,নিত্য ব্যাকুলায়,

কেবলি লালায়িত ভোগের লালসায়।


সত্য লক্ষ্যের প্রতি উদাসীন মন,

অতিশয় কণ্টক জর্জরিত জীবন।

জীবনসায়াহ্নে এসে ব্যাকুল জীবন,

বৃথাই বুঝি বয়েগেল জীবন যৌবন।


স্ত্রী সন্তান লাগি ভাবনা বৃদ্ধ কালে,

ঈশ্বরলাগি মন কাঁদেনি কোন কালে।

ঈশ্বর চিন্তায় কিঞ্চিৎ থাকতো যদি মন,

সত্যই ধন্য হতো এই অভাগার জীবন।


আজ শুনি এক মনে ঠাকুরের কথা,

যৌবনের ভাবনা ছিল ঈশ্বরচিন্তা বৃথা।

আজ মনে অনুভব করি ঠাকুরের কথা,

ঠাকুর বলেন

"লোকে মাগছেলের জন্য ঘটি ঘটি কাঁদে , কিন্তু ঈশ্বরের জন্য কে কাঁদে কখন

শ্রীশ্রীমা যেন সেই সুরটিই ধরিয়ে দিলেন !

জাগতিক জিনিষের প্রতি মোহান্ধ হয়ে 

আমরা ভগবানের পাদ-পদ্মসুধার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয়ে আছি !

তাই শৈশবে যদি কারো মধ্যে সেই ব্যাকুলতা দেখা যায় , সত্যিই ধন্য তার জীবন !

*মা খুব সুন্দর রুপক করে বলেছেন : 'শৈশবে যে তার অনাঘ্রাত ফুলের মত মনটি ঈশ্বরের পায়ে দিতে পারে সেই ধন্য* !'

মায়ার কারাগার রুপি সংসারে।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->

==========+===============


    3>|| শেষ ঠিকানা ||

                   <--আদ্যনাথ--->

অজুহাত নয়,ইচ্ছা-মৃত্যুকে করি আহ্বান,

জানি নিষ্ফল, তবুও একান্ত আবেদন।

হয়তো সময়ের কারণে অশোভন,

তবুও নিজের ভাবনাকে করি যতন।


অনেক তো দেখলাম সুন্দরের ঠিকানা,

নিজেকেই খুঁজিনাই, দেখেছি দুনিয়া।

বুঝেছি, সুন্দর ভাবতে, ভালো থাকতে,

সাত দিনের জীবনের ভাবনা হয় ভাবতে।


কেন এতো রাগ, অনুরাগ,অহঙ্কার,

কিসের জন্য এতো চাহিদার পাহাড়?

জীবনতো স্রেফ সাত দিনের,

তাহলে এতো ফিকির কিসের?


দিন বদলাতে পারে যেকোনো মুহূর্তে,

দিনে,ঘন্টায়, সপ্তাহে হয়তো-বা মাসে,

মাস হলেও হতে পারে বৎসর,

বৎসর হতে পারে যুগের অন্তর।


যুগের পর যুগও বাঁচা যায়,

শরীরে না-হোক সকলের মনে।

কর্ম-ইতো ধর্ম বর্তমান কালে,

কর্ম করতে হয় অন্যের প্রয়জনে।


কে-কি বলবে, কি-ইবা ভাববে,

কিলাভ ওসকল ভাবনা ভেবে।

ভালোথাকা সুন্দর ভাবনার মনে,

আজকের দিনটিকেই রাখতে হবে মনে ।


ক্ষনিকের তরে আসা যাওয়া,

মোহ মায়ার অনেক ভাবনা,

সংসার ত্যাগীলেই কি হয় সাধনা,

সাধনা সে যে শুদ্ধ মনের ভাবনা।


সময়ে অসময়ে কেউযায় কেউ আসে, 

কেউ ভাবনার দুয়ারে আটকে থাকে।

যাওয়া আসা এক ডোরেই বাঁধা,

যেমন কৃষ্ণের বাঁশরীতে রাধা।


ভাবনা যদি সদাই থাকে সেই পদে,

যাওয়া আসা নিশ্চিত ভাবের পথে।

আমার মতন যদি হও নিতান্ত পথভ্রষ্ট,

বুঝবে অভাগার জীবন কিভাবে হয় নষ্ট।


বুঝিনাই কিছু দেখেছি অনেক কিছু,

ভাবনার দুয়ারে দৌড়েছি পিছু পিছু,

মনের আবেগের স্বপ্নে ছিলো ভাবনা,

কঠিন যতনেও খুঁজে পাইনি শেষ-ঠিকানা।

    <----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

=========================

        

   4>|| কি হবে আমার ||

                  <---আদ্যনাথ--->

চূড়াশি লক্ষ জীবের, মানুষ বাদে কেউ করেনা হাহা কার।

বেদনার অনুভব আছে সবাকার 

মানুষের আছে লোভ আর অহংকার,

এক মাত্র মানুষই করে পয়সা রোজগার।

কিন্তু মানুষের পেটে ভরেনা কখনো আর।


পৃথিবীর এক মাত্র মানুষই মরে বার বার,

আমিও মানুষ,জানিনা কি হবে আমার।

কে-কি-ভাবে-কেন 

করবে আমার উদ্ধার।

ভাবনার জোয়ারে ভাসি বার বার,

কোথায় কুল কিনারা বুঝিনা এবার।

অথৈ সমুদ্রের মাঝে শুধুই নোনা জল,

পিপাসা মেটাতে নাই একফোঁটা জল।

ঈশ্বর,মহামানব কে উদ্ধারিবে আমায়

ভাবনার স্রোত গুলি মনকে নারায়,

তবুও বুক বান্ধি নিত্য নুতন আশায়,

চিন্তার পথগুলি কেবলি পথ হারায়।  <-----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী---->

 ======================== 

                  

  5>|| দেখেছি মৃত্যু ||

                   <---আদ্যনাথ--->

দেখেছি জীবন, আনন্দঘন চিত্তে,

দেখেছি মৃত্যু, হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে।

সকলের শুভেচ্ছা ডাক্তারের আপ্রাণ চেষ্টায়,

যমদূত বাধ্য হল ফিরেজেতে শেষটায়।


মৃত্যুর সেই সন্ধিক্ষণের মুহূর্ত,

যমদূতের সেই অট্টহাসির মুহূর্ত।

বুঝিয়ে দিয়েছে বেঁচে থাকার শর্ত,

নিজেই খুঁজে নিতে হয় নিজের সামর্থ।


বেঁচে থেকে দেখেছি তাবৎ

রঙিন আলোয় উদ্ভাসিত জগৎ।

মৃত্যু পুরীর নিকষ কালো অন্ধকার,

তীব্রজ্বালা চিৎকার যন্ত্রনায় হাহাকার।


দিগন্ত অন্ধকারে যমপুরীর পাশা,

বিদেহী আত্মার মুক্তির আশা ।

যমদুয়ারে চিৎকার করে করা নাড়ে,

নিজেদের সকল অন্যায়ের স্বীকারোক্তি করে।


এখানে কে শোনে কার কথা,

যম-রাজের ইচ্ছাই যে এখানে শেষ কথা।

বেঁচে থাকতে যখন ছিল শুনবার কেউ,

অন্যায়ে বুক ফুলিয়ে যেন কেটে কেউ।


মৃত্যুতে, যম দুয়ারে, জ্ঞান চক্ষু খোলে,

জীবনে ন্যায়-অন্যায় কর্ম কে না বোঝে!

মৃত্যুর বীভৎস অন্ধকারে আর্তচিৎকার,

মনে করিয়ে দেয় স্বার্থকতা বেঁচে থাকার।


বুঝেও বুঝতেচাইনি কিছু, জীবনকালে,

অনুভবে জ্ঞান চক্ষু খুলেছে অন্তিমকালে।

মৃত্যুপুরীতে বুঝেছি জীবন সময়ের অধীন,

বুঝেছি মৃত্যুই সহজ বেঁচে থাকাই কঠিন।


জ্ঞানবুদ্ধি যাইহোক মৃত্যুই চিরসত্য,

বিশ্ব-সংসারে মানব জীবন চিরঅনিত্য।

জন্মের মুহূর্ত হতে অন্তিমের অপেক্ষা শুরু,

মৃত্যুরপরে পুনর্জন্মের অপেক্ষা শুরু।


চলার পথে সঙ্গি হয়তো অনেকে হবে

আবার অনেকেই হারিয়ে যাবে ।

কিন্তু অন্তিম যাত্রায় সাথি কেউ-ই হবেনা,

ভীত মনে প্রাণ খুলে আনন্দে বাঁচা যায় না।


খালিহাতেই আসা আর যাওয়া

জীবনখেয়া একাই বয়ে নিয়ে চলা।

মৃত্যুপুরীই বুঝি জীবনের শেষ ঠিকানা,

এখানে সকল অশরণ অশরীরী আত্মা।

<----আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->   

=========================



No comments:

Post a Comment